সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হোম টাস্কে নানারকম অভিনব বিষয় লিখতে দেওয়া হয়। পড়ুয়াদের সৃষ্টিশীলতা পরীক্ষা করার জন্যই এই পন্থা নেন শিক্ষকরা। নতুন নতুন বিষয়ে হোম টাস্ক দেওয়া তাই নতুন কিছু নয়। অভিভাবকরাও এর সঙ্গে অভ্যস্ত। কিন্তু তা বলে হোম টাস্কে লিখতে দেওয়া হবে সুইসাইড নোট! সম্প্রতি এক শিক্ষকের এহেন হোমওয়ার্ক দেওয়াকে কেন্দ্র করেই ছড়াল তীব্র বিতর্ক।
[ পাকিস্তানকে সমর্থন করায় ধৃত ভারতীয় যুবক, মুখ ফেরালেন আইনজীবীরাও ]
ক্লাসে শেকসপিয়রের ম্যাকবেথের নির্বাচিত অংশ পড়িয়েছিলেন এক শিক্ষক। লেডি ম্যাকবেথের ঘটনার উল্লেখ করেই তারপর পড়ুয়াদের একটি সুইসাইড নোট লেখার কাজ দেন তিনি। প্রিয়জনদের উদ্দেশ করেই তা লিখতে হবে। এহেন হোম টাস্ক নিয়েই বাড়ি ফেরে পড়ুয়ারা। এদিকে হোমওয়ার্কের বহর দেখে তো অভিভাবকদের চক্ষু চড়কগাছ। যোগাযোগ করা হয় স্কুল কর্তৃপক্ষর সঙ্গে। আপাতত ব্রিটেনের থমাস টালিস স্কুলের এই ঘটনায় নানারকম প্রশ্ন উঠেছে গোটা বিশ্ব জুড়েই।
পড়ুয়াদের সকলেরই বয়স অল্প। কিশোর-কিশোরীদের মনে এই হোমওয়ার্ক যে গভীর প্রভাব ফেলেছে, তা অভিভাবকদের অভিযোগেই স্পষ্ট। এক অভিভাবক জানিয়েছেন, তাঁর কন্যা এই হোমওয়ার্ক করতে গিয়ে রীতিমতো হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। আবার এই বয়সে অনেক কিশোর পড়ুয়াই হতাশার কারণে আত্মহত্যা করে। পরীক্ষায় খারাপ ফল বা অভিভাবকদের প্রত্যাশার চাপও এ ক্ষেত্রে অনেকাংশে দায়ী। বন্ধু হারানোর অভিজ্ঞতা তাই এই বয়সেই হয়েছে অনেক পড়ুয়ার। এ হোমওয়ার্ক করতে গিয়ে ফিরে এসেছে সেই ভয়াবহ স্মৃতি। তাতে রীতিমতো অসুস্থ বোধ করেছে কোনও কোনও পড়ুয়া। অভিভাবকদের তরফে কড়া প্রতিক্রিয়া পেয়ে ইতিমধ্যেই ক্ষমা চেয়েছে ওই স্কুল কর্তৃপক্ষ। তবে কেন যে কিশোরদের এরকম একটা হোমওয়ার্ক করতে দিলেন অভিজ্ঞ ওই শিক্ষক, তার সদুত্তর এখনও মেলেনি। যদিও বিশ্ব জুড়ে উঠেছে প্রশ্ন, অভিনবত্বের তাগিদে আর কত নতুন জিনিসের সম্মুখীন হতে হবে অল্পবয়সী পড়ুয়াদের?
[ মোদি ‘সত্যিকারের বন্ধু’, বৈঠকের আগে উচ্ছ্বসিত ট্রাম্প ]
The post OMG! হোমওয়ার্কে সুইসাইড নোট লিখতে দেওয়া হল পড়ুয়াদের! appeared first on Sangbad Pratidin.
