গোটা নিউইয়র্ক শহরকে সাক্ষী রেখে একেবারে এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের মাথায় উঠে প্রেমিকাকে প্রপোজ (Empire State Building Proposal) ! গোটা দুনিয়ায় হইচই ফেলে দিয়েছিলেন ইভান কুজনেটসভ এবং অ্যাঞ্জেলিনা নিকোলাউ। দুর্ধর্ষ কাণ্ড করে গোটা বিশ্বে প্রেমের প্রতীক হয়ে ওঠেন এই যুগল। আবারও তাঁরা উঠে এলেন চর্চায়। এবার অবশ্য সেরকম ডেয়ারডেভিল কাণ্ড নয়। আদালতের প্রথম শুনানিতে ঢোকার আগে ঠোঁট ডোবালেন একে অপরের ঠোঁটে। সেই দৃশ্যটিও ভাইরাল হয়েছে নেটদুনিয়ায়।
মাসদেড়েক আগে নেটভুবনে ঝড় তুলেছিল ইভান-অ্যাঞ্জেলিনার প্রেমকাহিনি।
মাসদেড়েক আগে নেটভুবনে ঝড় তুলেছিল ইভান-অ্যাঞ্জেলিনার প্রেমকাহিনি। আচমকাই দেখা যায়, দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ কালো রঙের পেশাক পরে তাঁরা এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের মাথায় চড়ছেন। স্থাপত্যশৈলীটির উচ্চতা ১ হাজার ৪৫৪ ফুট। বেশ কিছুক্ষণ পর তারা এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের একদম মাথায় পৌঁছে যান। যুগলের হাতে একটি কালো রঙের পতাকা ছিল। তাতে শান্তির বার্তা দেওয়া ছিল। লেখা ছিল, ‘যখন ক্ষমতা ভালোবাসার কাছে পরাস্ত হয়, তখনই পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়।’
প্রায় ১০মিনিট তাঁরা ওই ভবনটির মাথায় ছিলেন। সেখানে দাঁড়িয়ে তাঁরা একে অপরকে চুম্বন করেন। তারপর হাঁটু মুড়ে বসে আংটি দিয়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন ইভান। উচ্ছ্বসিত হয়ে প্রস্তাবে সাড়া দেন অ্যাঞ্জেলিনাও। গোটা ঘটনা ক্যামেরাবন্দি করা হয়। হু হু করে ভাইরাল হয় তাঁদের ভিডিও। তবে এহেন কাণ্ডের পর একগুচ্ছ অভিযোগ দায়ের হয় যুগলের বিরুদ্ধে। একটা রাত কাটাতে হয় জেলেও। তবে জেল থেকে বেরনোর সময়েও দেখা গিয়েছিল, একে অপরের হাত ধরেই হাঁটছেন তাঁরা।
এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের মাথায় উঠে পড়ার দরুণ একগুচ্ছ অভিযোগ জমা হয়েছে যুগলের বিরুদ্ধে। ডাকাতির চেষ্টা, বেপরোয়া আচরণ, অপরাধপ্রবণতার মতো একাধিক অভিযোগ ঝুলছে। সেসবের শুনানির জন্য সোমবার তাঁরা পৌঁছন ম্যানহাটন ক্রিমিনাল কোর্টে। শুনানির পর দেখা যায়, হাতে হাতকড়া পরে বেরোচ্ছেন ইভান-অ্যাঞ্জেলিনা। ক্যামেরা দেখামাত্র একে অপরকে জড়িয়ে ধরে ঠোঁটঠাসা চুমু। সাধে কি বলে, প্যায়ার কিয়া তো ডরনা ক্যায়া?
