আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার বদলা নিতে ইরানের পাশাপাশি সক্রিয় হয়ে উঠেছে তাদের সমর্থনপুষ্ট সশস্ত্র সংগঠন হেজবোল্লা। সম্প্রতি লেবাননে হেজবোল্লার ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েল। এই হামলার জবাবে রবিবার ইজরায়েলের নৌসেনা ঘাঁটি হাইফাতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাল হেজবোল্লা। এই হামলায় নৌঘাঁটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি এই যুদ্ধে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইজরায়েলের ২ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছে ইজরায়েল সেনা।
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর হেজবোল্লাকে জব্দ করতে লেবাননে লাগাতার এয়ার স্ট্রাইক শুরু করেছে ইজরায়েল সেনা। সেই হামলার পালটা জবাব দিতেই ইজরায়েলের নৌসেনা ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে হেজবোল্লা। বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, ইজরায়েলের উত্তরে মিসগাভ ঘাঁটিতে রকেট হামলা চালিয়েছে তারা। পাশাপাশি আরও এক বিবৃতিতে হেজবোল্লা যোদ্ধারা জানিয়েছে, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইজরায়েলের হাইফা নৌ ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। হেজবোল্লার দাবি, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইজরায়েল সেনা যেসব হামলা চালাচ্ছে, তার জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে।
হেজবোল্লা যোদ্ধারা জানিয়েছে, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইজরায়েলের হাইফা নৌ ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। হেজবোল্লার দাবি, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইজরায়েল সেনা যেসব হামলা চালাচ্ছে, তার জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ইজরায়েল সেনার তরফে স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে, লেবাননের দক্ষিণ অঞ্চলে ইজরায়েলের দুজন সেনার মৃত্যু হয়েছে। তবে কীভাবে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে বিশদে কিছুই জানানো হয়নি। তবে অনুমান করা হচ্ছে হেজবোল্লার হামলাতেই নিহত হয়েছেন ওই দুই জওয়ান। উল্লেখ্য, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গত সোমবার থেকে লেবাননে লাগাতার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইজরায়েল। আইডিএফ জানিয়েছে, হেজবোল্লার ঘাঁটি লক্ষ্য করেই চলছে এই হামলা। পালটা মাঝে মাঝেই ইজরায়েলে রকেট ছুড়ছে এই সশস্ত্র সংগঠন। ইজরায়েল ও হেজবোল্লার যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম কোনও ইজরায়েলি সেনার মৃত্যুর ঘটনা ঘটল।
পাশাপাশি এই যুদ্ধে এখনও পর্যন্ত লেবাননে মৃত্যু হয়েছে ৩৯৪ জনের। রবিবার লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে ইজরায়েলি হামলায় লেবাননে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯৪ জন। যার মধ্যে ৮৩ জন শিশু। হামলায় আহত হয়েছে অন্তত ১ হাজার ১৩০ জন।
