কাতারের সবচেয়ে বড় জ্বালানি গ্যাসের প্লান্টে ভয়ংকর বিস্ফোরণ। মর্মান্তিক এই ঘটনায় ৫৪ জন আহত হয়েছেন বলে খবর। পাশাপাশি ১৮ জন নিখোঁজ হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে এঁরা সরাসরি বিস্ফোরণের কবলে পড়েছিলেন। জানা যাচ্ছে, হরমুজ খোলার পর কাতারের শিল্পনগরী রাস লাফানের এই এলএনজি প্লান্ট নতুন করে সারাইয়ের কাজ চলছিল। সেই সময়েই এখানে দুর্ঘটনা ঘটে।
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ চলাকালীন গত মার্চ মাসে রাস লাফানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল ইরান। কাতার তো বটেই বিশ্বের অন্যতম বড় এই গ্যাস প্লান্টে হামলার ঘটনায় ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয় বিশ্বের গ্যাস সরবরাহ। হরমুজ খোলার পর নতুন করে এই প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন ও রপ্তানি কেন্দ্র সারাইয়ের কাজ চলছিল। রবিবার সেই কাজ চলাকালীন হঠাৎ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
কাতার তো বটেই বিশ্বের অন্যতম বড় এই গ্যাস প্লান্টে হামলার ঘটনায় ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয় বিশ্বের গ্যাস সরবরাহ।
বিস্ফোরণের পর রাতেই এই বিষয়ে বিবৃতি জারি করে কাতার সরকার নিয়ন্ত্রিত জ্বালানি সংস্থা 'কাতার এনার্জি'। বলা হয়, রাস লাফানের বারজান এলাকায় একটি গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্রে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এরপরই তাতে আগুন ধরে যায়। ইতিমধ্যেই সেখানে উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিস্ফোরণের জেরে গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্রের ঠিক কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সে বিষয়ে সরকারের তরফে স্পষ্ট করে কিছুই জানানো হয়নি। তবে কাতার এনার্জির পরপরই সেখানকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি জারি করা হয়।
সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, বড়সড় এই বিস্ফোরণের জেরে ৫৪ জন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি ১৮ জনের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁদের সন্ধান পেতে জোরকদমে তল্লাশি শুরু হয়েছে। দুর্ঘটনায় গ্যাস লিকের জেরে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকির যাবতীয় সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছে সরকার। বলা হয়েছে স্বাস্থ্যের পক্ষের ঝুঁকিপূর্ণ কোনও গ্যাস রাস লাফানে নিঃসরিত হয়নি।
