শান্তিচুক্তির লক্ষ্যে আলোচনা জারি রয়েছে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে। একাধিকবার শোনা গিয়েছে, চুক্তির খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছে দুই দেশ। তবে শেষ মুহূর্তে বদলে যাচ্ছে সবকিছু। এহেন পরিস্থিতিতে ইরাকে মার্কিন সেনা ঘাঁটিতে হামলা চালাল ইরান (Iran Attacks US Bases)। অন্যদিকে সাইরেন বেজে উঠেছে বাহরিনে। যদিও আমেরিকা এমন হামলা কথা অস্বীকার করেছে।
এদিকে কুয়েতের সেনা জানিয়েছে, তারা শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করেছে। বুধবার ভোরের দিকে সারা দেশজুড়েই শোনা গিয়েছে বিস্ফোরণের বিকট শব্দ। নিরাপত্তাজনিত পরামর্শ হিসেবে নাগরিকদের ধ্বংসপ্রাপ্ত লক্ষ্যবস্তুগুলি থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে। এর মধ্যেই ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, পারস্য সাগর, হরমুজ প্রণালী ও কেশন দ্বীপে মার্কিন হানার 'বদলা' নিতেই তারা কুয়েতে হামলা চালিয়েছে। সেই সঙ্গেই ঘাঁটি ধ্বংসের দাবিও করেছে তারা। যদিও কোনও নিরপেক্ষ সংবাদমাধ্যমের তরফে এই হামলার ফল নিয়ে এখনও কিছু জানানো হয়নি।
সেই সঙ্গেই বাহরিনের গৃহমন্ত্রক জানিয়েছে, সাইরেনের শব্দ শোনা গিয়েছে দেশের বহু অংশে। সেদেশের নাগরিকদের নিরাপদ স্থানেই থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এদিকে ইরানের সেনার শেয়ার করা একটি ভিডিওয় বাহরিনের আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র দেখা গিয়েছে।
গত কয়েকদিনে যুদ্ধের আগুনে হাওয়া দিতে শুরু করেছে দুই পক্ষই।
সম্প্রতি ইরানের শীর্ষ নেতা বাঘের ঘালিবাফ স্পষ্ট জানান, ইরান আমেরিকাকে বিশ্বাস করে না। প্রেসিডেন্ট পেজেস্কিয়ান জানিয়েছেন, যুদ্ধের প্রথম দিনে নিহত হলেও আয়াতোল্লা খামেনেই জানিয়েছিলেন আমাদের আলোচনার টেবিলে বসা প্রয়োজন। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে। এখন আর আলোচনার জায়গা নেই। বহু শীর্ষ আধিকারিক প্রকাশ্যে আমেরিকাকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সেই আগুন আরও গনগনে হয়ে ওঠার আশঙ্কাই সত্যি হল।
