মঙ্গলবার গভীর রাতে নতুন করে অনির্দিষ্টকালের জন্য সংঘর্ষবিরতি ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হরমুজে (Strait Of Hormuz) একটি মালবাহী জাহাজে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল ইরানের বিরুদ্ধে। এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠছ, পাকিস্তানে ইরান-আমেরিকা শান্তি বৈঠক কি ভেস্তে যাবে? সংঘর্ষবিরতি আদৌ স্থায়ী হবে?
ট্রাম্পের 'একতরফা' সংঘর্ষবিরতি ঘোষণা নিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রতিক্রিয়া দেয়নি ইরান। উলটে হরমুজে মার্কিন 'দাদাগিরি' নিয়ে আপত্তি করেছে তারা। এই অস্থির অবস্থায় ব্রিটিশ সেনার 'ইউনাইডেট মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন' জানিয়েছে, বুধবার সকাল ৭টা বেজে ৫৫ নাগাদ ইরানি সেনা একটি মালবাহী জাহাজে গুলি চালিয়েছে। ব্রিটিশ সেনার আরও দাবি, জাহাজটিতে হামলা চালানোর আগে সতর্ক করেনি ইরানি সেনার নজরদারি নৌযান। মনে করা হচ্ছে, এভাবে হরমুজে মার্কিন অবরোধ এবং তাদের জাহাজ বাজেয়াপ্ত করার বদলা নিল খামেনেইর দেশ।
সোমবার হরমুজ প্রণালীতে ইরানের দু’টি জাহাজ বাজেয়াপ্ত করেছিল ওয়াশিংটন। এই বিষয়ে ইরানের তরফে বলা হয়, “আমেরিকার এহেন কার্যকলাপ প্রমাণ করে দিচ্ছে যে তাদের সরকার একটি জঙ্গি সরকার। শুধু তা-ই নয়, তারা জলদস্যুও বটে।” পাশাপাশি, শান্তি আলোচনায় যোগদানে আমেরিকার সদিচ্ছা নিয়েও প্রশ্ন তোলে তারা। সূত্রের খবর, শান্তি বৈঠকে ইরানের যোগদানে অনীহার অন্যতম কারণ হল হরমুজে মার্কিন অবরোধ।
অন্যদিকে, মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান জানিয়েছে, শান্তি বৈঠকে যোগদান নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তেহরান এখনও কিছু জানায়নি। পাক তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লা তারার তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনায় ইরান প্রতিনিধি দল পাঠাবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। আনুষ্ঠানিকভাবে তেহরান এখনও কিছুই জানায়নি। আমরা অপেক্ষায় আছি। ইরানের সঙ্গে আমরা নিয়মিত যোগাযোগেও রয়েছি।’
