ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল ইউক্রেনের নাম (Iran-Ukraine)। কাস্পিয়ান সাগরে ইরানি অস্ত্র নিয়ে আসা রুশ জাহাজে এক প্রাণঘাতী হামলার পরই ক্রমশ পারদ চড়তে শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে সোমবার ইউক্রেনে হামলার পরিকল্পাও করেছিল তেহরান। কিন্তু ইউক্রেন সরকার আনুষ্ঠানিক ভাবে ক্ষমা চেয়ে নেওয়ার পর সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসে ইরান। সেদেশের এক শীর্ষ সামরিক উপদেষ্টা মহসিন রাজাই এই কথা জানিয়েছেন।
সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানিয়েছেন, ''আমরা ইউক্রেনের তিনটি স্থানে হামলার প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। কিন্তু ইউক্রেনের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাওয়ার পরই সেই হামলা বাতিল করা হয়।'' যদিও তিনি তাঁর দাবিপ সপক্ষে কোনও প্রমাণ দেননি। এবং সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুগুলির পরিচয়ও প্রকাশ করেননি তিনি।
বলে রাখা ভালো, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর শুরু হয় ইরান যুদ্ধ। এই সংঘাত থামাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালনে এগিয়ে আসে পাকিস্তান। শেষপর্যন্ত ৮ এপ্রিল ২০২৬ সালে দুই সপ্তাহের জন্য একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছয় আমেরিকা ও ইজরায়েল। তবে শেষপর্যন্ত শান্তি বজায় থাকেনি। এর মধ্যেই এই সংঘাতে নাম জড়িয়েছিল ইরানের।
ইজরায়েলে নিযুক্ত ইউক্রেনীয় রাষ্ট্রদূত জানিয়েছিলেন, জাহাজগুলি ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সহায়তা করার লক্ষ্যে রাশিয়ায় ইরানি অস্ত্র পরিবহণ করছিল। এদিকে ইরানের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, ওই হামলায় জাহাজটির এক নাবিক মারা গিয়েছেন। আহত হয়েছেন অনেকে। তাদের সাফ কথা ছিল, ইসলামিক দেশটি রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে হওয়া সংঘাতে কখনওই হস্তক্ষেপ করেনি। এই বিষয়ে প্রতিবাদ জানাতে ইরানে যুক্ত ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূতকে তলবও করা হয়। পরিস্থিতি ক্রমশই গড়াচ্ছিল সংঘাতের দিকে। কিন্তু শেষমুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদলাল ইরান।
