সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চিনা (China) আগ্রাসন নিয়ে চিন্তায় জাপানও। ক্রমাগত আগ্রাসী হয়ে উঠছে চিন। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপের সময় জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইওশিহিদে সুগার (Japan PM Yoshihide Suga) গলাতেও শোনা গেল সেই উদ্বেগের সুর। চিন দক্ষিণ ও পূর্ব চিন সাগরের স্থিতাবস্থা বদলের চেষ্টা করছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।
দিন কয়েক পরেই ভারত, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকার কোয়াড বৈঠক। মহামারী আবহে এবার ভারচুয়ালি হবে বৈঠক। তার আগে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর ফোনে কথা হয়। সেই ফোনালাপে চিন সাগরের পরিস্থিতি, হংকংয়ের অবস্থা এমনকী, চিনের নয়া সমুদ্ররক্ষী নীতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। দু’জনের মধ্যে ৪০ মিনিট ফোনে কথা হয় বলে খবর। ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, দু’দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। দুদেশের বাণিজ্য, নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা হয়। কথা হয়েছে, কোয়াড নিয়েও।
[আরও পড়ুন : বন্দুকের সামনে বুক পেতে দাঁড়ালেন সন্ন্যাসিনী, হৃদয় মোচরানো মায়ানমারের ছবি ভাইরাল]
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মে মাসে পূর্ব চিন সাগরে জাপান (Japan) নিয়ন্ত্রিত দ্বীপে সামরিক ও নৌ মহড়া চালাবে তিনটি দেশ। মূলত প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মোকাবিলা করার জন্য এই মহড়া বলা হলেও এর পিছনে অন্য অঙ্ক রয়েছে বলে দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জাপান প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, পূর্ব চিন সাগরে জাপানের নিয়ন্ত্রিত দ্বীপগুলিতে আধিপত্য বিস্তারের মরিয়া চেষ্টা করছে চিন। সেই কারণে এই প্রথম জাপান, আমেরিকা ও ফ্রান্স একসঙ্গে যৌথ সামরিক (joint military drills) ও নৌ মহড়ার করার পরিকল্পনা নিয়েছে। উল্লেখ্য, দক্ষিণ চিন সাগরের মতো পূর্ব চিন সাগরেও ক্রমশ আধিপত্য বিস্তার করছে ড্রাগন। আর সেটা বুঝতে পেরেই ইতিহাসে এই প্রথম একসঙ্গে সামরিক ও নৌ মহড়ায় অংশ নিচ্ছে আমেরিকা, ফ্রান্স ও জাপান।
