ইউরোপের অন্যতম ব্যস্ত হাব হিথরো। কিন্তু সেখানে বিমান বিভ্রাট। একই ছবি ব্রিটেন জুড়ে। ‘ন্যাশনাল এয়ার ট্র্যাফিক সার্ভিস’-এর প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেই এই সমস্যার সূত্রপাত বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার থেকেই শুরু হয়েছে এই বিভ্রাট। এভাবে পরপর উড়ান বাতিল হওয়ার কারণে চূড়ান্ত ভোগান্তিতে যাত্রীরা। হিথরো ছাড়াও গ্যাটউইক, ম্যাঞ্চেস্টার, লিভারপুল, বার্মিংহাম, এডিনবরা বিমানবন্দরে একই ছবি দেখা গিয়েছে।
ঠিক কী কারণে বিভ্রাট? এনএটিএস জানাচ্ছে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই ‘ফ্লাইট ডেটা প্রসেসিং সিস্টেম’ প্রভাবিত হয়েছে। যদিও সমস্যার সমাধান করা গিয়েছে কয়েক ঘণ্টায়। ফলে পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক। সিএনএন সূত্রে জানা যাচ্ছে, বুধবারও ১৭৭টি উড়ান বাতিল হয়েছে। তবে তার প্রায় সবগুলিই হিথরো-লন্ডন। এনএটিএস মেনে নিয়েছে সমস্যা কাটিয়ে উঠতে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সময় লেগেছে। তাদের তরফে পেশ করা বিবৃতিতে একথা জানিয়ে বলা হয়েছে, 'আমরা জানি বিষয়টি অত্যন্ত হতাশাজনক। এবং এর জন্য আমরা নিঃশর্ত ক্ষমা চাইছি।' এদিকে উড়ান বাতিলের আশঙ্কা করেছে এয়ার ইন্ডিয়াও।
উল্লেখ্য, বিশ্বের সপ্তম ব্যস্ততম বিমানবন্দরে এর আগেও এমন পরিস্থিতি দেখা গিয়েছে। ২০২৫ সালে প্যাসেঞ্জার ট্র্যাফিকের কারণে ভুগতে হয়েছিল বহু যাত্রীকে। তবে এবার সমস্যা কেবল হিথরো নয়, ব্রিটেনের প্রায় সর্বত্র দেখা গিয়েছে। এদিকে মঙ্গলবার থেকেই সোশাল মিডিয়ায় যাত্রীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। বিমানবন্দরের হলগুলিতে মানুষের দীর্ঘ ও বিশৃঙ্খল ভিড়ের ছবি দেখা গিয়েছে। এক্স হ্যান্ডলে এক ইউজারকে দাবি করতে দেখা গিয়েছে, এবারের ঘটনা তাঁর এতদিনের উড়ান অভিজ্ঞতায় সবচেয়ে বেশি মানসিক চাপপূর্ণ ও হতাশাজনক অভিজ্ঞতা। তিনি জানিয়েছেন, রোমগামী আড়াই ঘণ্টার একটি উড়ানের বিকল্প উড়ান হিসেবে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ তাঁদের এমন প্রস্তাব দিয়েছিল, যাতে ২৪ ঘণ্টা সময় এবং ৪টি উড়ানের বা যাত্রাবিরতি জড়িত ছিল।
