সুকুমার সরকার, ঢাকা: বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, চট্টগ্রাম ও বান্দরবানে পাহাড় ধসে বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫০ জন। জখমের সংখ্যা পঞ্চাশেরও বেশি।
[২২ বছর কোষ্ঠকাঠিন্যের পর রোগীর দেহ থেকে বেরোল ১৩ কেজি বর্জ্য]
এদিকে বঙ্গোপসাগরে দু’দিন আগের নিম্নচাপের প্রভাব কাটতে না কাটতেই ফের তিন নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করেছে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর। পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ভূমিধসের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। সপ্তাহের শুরুতে নিম্নচাপের পর এখন আবার উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর বজ্রগর্ভ মেঘের সৃষ্টি হওয়ায় প্রবল বর্ষণের সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আবহাওয়াবিদ খোন্দকার হাফিজুর রহমান জানান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
[আস্তাকুঁড়ে জন্মানো এই মানুষটির উত্থানের কাহিনি জানলে অবাক হবেন]
পাহাড় ধসে নিহতদের মধ্যে রাঙামাটিতে চার সেনা সদস্য-সহ ১০৬ জন, চট্টগ্রামে ৩৪ জন ও বান্দরবানে রয়েছেন ১০ জন। সেনা জওয়ানরা উদ্ধার কাজে গিয়ে ফের পাহাড় ধসের কবলে পড়েন। এখনও মাটির নিচে অনেকে চাপা পড়ে থাকায় মৃতের সংখ্যা বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ৩৮৪টি ইউনিট সেখানে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরি মায়া মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকায় সচিবালয়ে সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, অনেকেই মাটিচাপা পড়ে আছেন। সেনাবাহিনী উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। ১৮টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলে সাড়ে ৪ হাজার মানুষকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।
