প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে বাংলার ঝালমুড়ির জনপ্রিয়তা যেন বিশ্বব্যাপী। বাংলার খুব সাধারণ খাবার থেকে একলাফে ঝালমুড়ি উঠে এলে দেশের আলোচনার কেন্দ্রে। শুধু তাই নয়, বিদেশের মাটিতেও সেই প্রসঙ্গ তুললেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। বিদেশ সফরে মোদির মুখেও উঠে এল পশ্চিমবঙ্গের প্রসঙ্গ। 'ঝালমুড়ি কি এখানেও পৌঁছে গেছে?' নেদারল্যান্ডের দ্য হেগ শহরের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকদের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দেন মোদি। তাঁর বক্তব্যের পরেই উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন সভায় উপস্থিত জনতা।
বিদেশ সফরে নেদারল্যান্ডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দ্য হেগ শহরে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে তিনি নেদারল্যান্ডসে ভারতীয় প্রবাসীদের সামনে ভাষণ দেন। সেখানে তিনি ভারতের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম, ডিজিটাল অগ্রগতি ও বিশ্বের দরবারে দেশের ক্রমবর্ধমান সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। সেই বক্তব্যের মাঝেই এদিনের অনুষ্ঠানে মোদির মুখে উঠে আসে পশ্চিমবঙ্গের নাম। তিনি বলেন, "এখানেও কি ঝালমুড়ি পৌঁছে গেছে?"। মোদির এই বক্তব্যের পরই ভারতীয় প্রবাসীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। উপস্থিত সকলেই উল্লাসের সঙ্গে মোদির মন্তব্যের সমর্থন জানায়। এর পাশাপাশি মোদি বলেন, 'বাংলা, অসম, কেরলম, পুদুচেরিতে ব্যাপক হারে ভোটদান করেছেন মানুষ। ভোটের হার ৯০ শতাংশ ছাড়িয়েছে। মহিলারাও ব্যাপক হারে ভোট দিয়েছেন নির্বাচনে। এটাই এখন ভারতের ট্রেন্ড।'
বাংলায় নির্বাচনী প্রচারে এসে ঝাড়গ্রামে একটি জনসভা সেরে অন্য সভায় যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী নিজের কনভয় থামিয়ে নেমে পড়েন একটি ঝালমুড়ির দোকানের সামনে। ১০ টাকা দিয়ে ঝালমুড়ি কিনে খান। আশেপাশে ভিড় করে আসা কয়েকজনকে ঝালমুড়ি কিনেও দেন। বাংলায় প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রীর মুড়ি খাওয়ার এই বিরল দৃশ্য মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়। উঠে আসে রাজনৈতিক আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে। ভোটের ফলপ্রকাশের পরেও বাংলার আনাচে কানাচে বিজেপির সেলিব্রেশনের অন্যতম অংশ হয়ে উঠেছে ট্রেন্ডিং ঝালমুড়ি। এবার সেই ঝালমুড়ির প্রসঙ্গ টেনে প্রবাসী মনের খোঁজ নিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী।
