shono
Advertisement
Indonesia

ভয়ংকর সুন্দর! জেগে উঠল ইন্দোনেশিয়ার আগ্নেয়গিরি, অগ্ন্যুৎপাতে বাতিল তিন শতাধিক বিমান

ব্যাপক বিস্ফোরণ ও অগ্ন্যুৎপাতের জেরে আগ্নেয় ছাইয়ের আকাশে প্রায় ৫০ হাজার ফুট পর্যন্ত উঠে যায়। এই ঘটনায় জরুরি অবস্থা জারি করেছে সেখানকার সরকার।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 06:31 PM Sep 06, 2026Updated: 06:31 PM Sep 06, 2026

ইন্দোনেশিয়ায় জেগে উঠল ঘুমন্ত দৈত্য। দীর্ঘ ৮ বছরের ব্যবধানে আনাক ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরি ফের উগরাল লাভা। ব্যাপক বিস্ফোরণ ও অগ্ন্যুৎপাতের জেরে আগ্নেয় ছাই আকাশে প্রায় ৫০ হাজার ফুট পর্যন্ত উঠে যায়। এই ঘটনায় জরুরি অবস্থা জারি করেছে সেখানকার সরকার। এই পরিস্থিতিতে ৫৮টি আন্তর্জাতিক বিমান-সহ ৩০১টি বিমান পরিষেবা বাতিল করা হয়েছে। যদিও এই ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।

Advertisement

জানা যাচ্ছে, শুক্রবার গভীর রাত থেকে আনাক ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরিতে পর পর বিস্ফোরণ শুরু হয়। এমনটা ঘটবে তার আভাস আগে থেকেই ছিল প্রশাসনের কাছে যার জেরে ২ জুলাই থেকে ওই অঞ্চলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সতর্কতা লেবেল-৩ জারি করা হয়। বিস্ফোরণের পর আগ্নেয়গিরির ছাই পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা বিএনপিবি জনগণকে সতর্ক থাকার বার্তা দিয়েছে। স্থানীয় জনগণকে মাস্ক ও গগলস পরার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়ার আরও ৪ আগ্নেয়গিরিতে লেবেল-৩ সতর্কতা জারি হয়েছে। এগুলি হল, মাউন্ট সেমেরু, মাউন্ট মেরাপি, লেওটোবি লাকি-লাকি এবং সিনাবুং। বাতাসের ঝাপটায় আগ্নেয়গিরির ছাই বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছলে বিমান পরিষেবা বাতিল করে প্রশাসন।

আগ্নেয়গিরি পর্যবেক্ষণ সংস্থা পিভিএমবিজি স্থানীয় জনগণকে জ্বালামুখ থেকে অন্তত ৫ কিলোমিটার দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। তবে অগ্ন্যুৎপাতের জেরে সুনামির আশঙ্কা নেই বলেই জানা গিয়েছে।

এদিকে রবিবার সেমেরু পর্বতেও অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটেছে। যার জেরে আগ্নেয়গিরির মুখ থেকে এক কিলোমিটার পর্যন্ত আকাশে ওঠে ছাইয়ের স্তর। আগ্নেয়গিরি পর্যবেক্ষণ সংস্থা পিভিএমবিজি স্থানীয় জনগণকে জ্বালামুখ থেকে অন্তত ৫ কিলোমিটার দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। তবে অগ্ন্যুৎপাতের জেরে সুনামির আশঙ্কা নেই বলেই জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য, আনাক ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুৎপাতের জেরে এখনও পর্যন্ত কোনও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা না ঘটলেও, অতীতে বহুবার শয়ে শয়ে মানুষের মৃত্যু হয়েছে। রিপোর্ট বলছে, ১৮৮৩ সালে ক্রাকাতোয়ায় অগ্ন্যুৎপাতের পর সুনামিতে ৩৬০০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। শেষবার ২০১৮ সালে এখানে ভয়ংকর অগ্নুৎপাত হয়। যার জেরে সৃষ্ট সুনামিতে জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপে ৪০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement