shono
Advertisement
Nepal Flash Flood

প্রকৃতির রুদ্র রোষে নেপাল, জলের তলায় গ্রামের পর গ্রাম! প্রকাশ্যে রোমহর্ষক ভিডিও

কিন্তু কীভাবে নামল এই ভয়ংকর হড়পা বান?
Published By: Kousik SinhaPosted: 11:08 AM Aug 27, 2026Updated: 12:24 PM Aug 27, 2026

হড়পা বানে ভয়াবহ পরিস্থিতি নেপালে (Nepal Flash Flood)। দানবীয় জলের ঢেউয়ে মুহূর্তের মধ্যে নিশ্চিহ্ন গোটা জনপদ। প্রকৃতির ভয়াবহ এই প্রলয়লীলা রীতিমতো কাঁপন ধরার মতো। এর মধ্যেই সামনে এসেছে একটি ভিডিও। যা হেলিকপ্টার থেকে ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে। ওই ভিডিওটিতে নেপালের একাধিক গ্রামের পরিস্থিতি ধরা পড়েছে, যা একপ্রকার ভয়াবহ। যদিও সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালের তরফে সেই ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করে দেখা হয়নি। আকাশপথে ক্যামেরাবন্দি হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একের পর এক গ্রাম সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। চারপাশ জুড়ে শুধু শশ্মানের নিস্তব্ধতা। এরমধ্যেই চলছে উদ্ধারকাজ।

Advertisement

সমাজমাধ্যমে সামনে আসা ভিডিওটি ওয়ার আপডেট এফসি বলে একটি পেজ থেকে শেয়ার করা হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, গ্রামগুলি একেবারে জনমানব শূন্য। চারপাশজুড়ে ছড়িয়ে শুধু কাদা। এমনকী একের পর এক বহুতল ডুবে রয়েছে কাদার মধ্যে। তার মধ্যেই চলছে উদ্ধারকাজ। নেপালের সেনাবাহিনীর বুধবারের ঘটনার পর থেকেই উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছে। উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা হচ্ছে একাধিক কপ্টারকে। কিন্তু ভয়াবহ হড়পা বানের পর পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে, সেখানে কপ্টার নামার সুযোগ নেই। আকাশপথেই বিপদ মাথায় নিয়ে দ্রুত মানুষকে সরানোর কাজ চলছে। শুধু তাই নয়, কাদা ও পলি ঘেঁটেই চলছে প্রাণের সন্ধান। ‘ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রেসেন্ট সোসাইটিজ (আইএফআরসি)’-এর নেপাল শাখার প্রধান ডেভিড ফিশার বলেন, ''অনেক গ্রাম এবং বাজার এলাকা পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে।''

 

তবে ঘটনার পর থেকেই একের পর এক ভিডিও সামনে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, ক্ষীণতোয়া ভোটেকোশী নদী মুহূর্তে খ্যাপা ষাঁড়ের গতিতে ভাসিয়ে নিয়ে চলেছে আশপাশে থাকা ঘরবাড়ি, সেতু, জনবসতি, নগর সভ্যতার সমস্ত চিহ্ন। কিন্তু কীভাবে নামল এই ভয়ংকর হড়পা বান? প্রাথমিক উপগ্রহ চিত্র থেকে কিছুটা ধারণা মিলেছে। তবে বিস্তারিত কোনও রিপোর্ট এখনও প্রকাশ করেনি কাঠমান্ডু।

যদিও নেপালের বিপর্যয় মোকাবিলা বিভাগ ‘এনডিআরআরএমএ’ সূত্রে জানা যাচ্ছে, দুর্যোগের শুরু উত্তরে তিব্বত অঞ্চলে। চিন-নেপাল সীমান্তবর্তী রাসুয়াগাঢ়ি অঞ্চলের একটি হিমবাহ ভেঙে যায়। যার নেপথ্যে রয়েছে একটি কম্পন। ৪.৪ রিখটার অভিঘাতের একটি কম্পনের হিমবাহ ভেঙেছে বলে অনুমান এনডিআরআরএমএ-র। ভেঙে যাওয়া সেই বিশাল হিমবাহই প্রাথমিকভাবে আটকে দেয় লেহন্ডে খোলা নদীর গতিপথ। পরে সেই গলে যাওয়া তুষার রাশি নেমে আসে নদীর বুকে যা ভীমগতিতে নেমে আসে নদী বেয়ে। ভাসিয়ে নিয়ে যায় পথ আটকানো প্রতিটি তৃণকণাও। প্রথমে লেহন্ডে খোলা, পরে সেখান থেকেই জল-কাদার স্রোত বয়ে চলে ভোটেকোশী নদীতে। যাত্রাপথে সেই স্রোতই ক্রমে বাড়তে থাকে কলেবরে, যা ধ্বংসাত্মক রূপ নেয় রাসুয়া জেলার জনপদে। গ্রামের পর গ্রাম চলে যায় জলের নিচে। কালো কাদার নিচে চাপা পড়েছে ঘরবাড়ি। তার নিচে ঠিক কত প্রাণ শ্বাসরুদ্ধ হয়েছে তার স্পষ্ট কোনও হদিশ মেলেনি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement