সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়নি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর। কেন্দ্রের প্রকাশিত তথ্য উড়িয়ে দাবি করলেন ফরাসি ইতিহাসবিদ জেবিপি মোর। একটি গোপন নথির ভিত্তিতে তিনি দাবি করেছেন, বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যু হয়নি। প্যারিসের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মোর সম্প্রতি ১৯৪৭-এর ১১ ডিসেম্বরের ফরাসি গোয়েন্দা রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে দেখেন। তাঁর সমীক্ষা অনুযায়ী, ফরাসি গোয়েন্দা নথিতে কোথাও উল্লেখ নেই যে, তাইওয়ানের বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যু হয়েছে। তার বদলে যে তথ্য উঠে আসে, তা হল, ১৯৪৭-এর ডিসেম্বর মাসেও বেঁচে ছিলেন তিনি। তবে তিনি কোথায় আছেন, তার কোনও বিস্তারিত তথ্য ছিল না ফরাসি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে।
[আর এক বছরে এই বিষয়ে বিশ্বের তৃতীয় স্থানে উঠে আসবে ভারত]
মোর দাবি করেছেন, জীবিত অবস্থাতেই ইন্দোচিন থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন নেতাজি। গোয়েন্দা নথি অনুসারে, ১৯৪৭-র ডিসেম্বরেও তাঁর হদিশ পাওয়া যায়নি। এর অর্থ, ১৯৪৭-এর জীবিত ছিলেন নেতাজি। ‘সুভাষচন্দ্র বসু সংক্রান্ত আর্কাইভাল তথ্য’ শিরোনামে ওই গোপন রিপোর্ট উল্লেখ করে মোর এই দাবি করেছেন। সায়গন থেকে টোকিও যাওয়ার পথে নেতাজির মৃত্যু হয়েছিল বলে জাপান ও ব্রিটিশরাও ঘোষণা করেছিল। তবে কখনও ফরাসি সরকার এ ইস্যুতে কথা বলেনি।
[এবার ট্রেনে চেপে আড়াই ঘন্টায় দিল্লি থেকে বারাণসী, ভাড়া কত জানেন?]
নেতাজির মৃত্যু ঘিরে বিতর্কের অবসান এখনও হয়নি। এর জন্য ভারত সরকার তিনটি কমিশন গঠন করেছে। ১৯৫৬ সালের শাহ নওয়াজ কমিশন এবং ১৯৭০ সালের খোসলা কমিশন বলেছে, ১৯৪৫ সালে ১৮ অগাস্ট জাপান অধিকৃত তাইপেইর তাইহোকু বিমানবন্দরে বিমান দুর্ঘটনাতেই নেতাজির মৃত্যু হয়েছে। যদিও ১৯৯৯ সালে মুখার্জি কমিশন ওই তত্ত্ব খারিজ করে দেয়।
[অমরনাথ হামলার সাহসী চালক সেলিমকে ৫ লক্ষ টাকা পুরস্কার সোনুর]
ফরাসি ইতিহাসবিদের এই সমীক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন কয়েকজন ভারতীয় শিক্ষাবিদ। ফরাসি এই তথ্যের সঙ্গে মিল আছে মুখার্জি কমিশনের রিপোর্টের। তাই এতে সারবত্তা আছে বলেই মনে করছেন তাঁরা। কিন্তু কেন্দ্র কেন তা মানতে চাইছে না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।
The post বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়নি নেতাজির, চাঞ্চল্যকর তথ্য ফরাসি ইতিহাসবিদের appeared first on Sangbad Pratidin.
