সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানে নাকি ইদানীং ধর্ষণ বেড়ে গিয়েছে। ধর্ষণের কবল থেকে রেহাই পাচ্ছে না শিশুকন্যারাও। এর দায় কার? বলিউডের। হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন প্রতিবেশী দেশে বেড়ে চলা শিশু ধর্ষণের দায় বর্তেছে ভারতের সিনেদুনিয়ার উপরই। নেটদুনিয়ার মাধ্যমে এমনই অভিযোগ এনেছেন পাক বাসিন্দারা।
[কাশ্মীর ইস্যুতে লন্ডনে পাকপন্থীদের তাণ্ডব, পালটা মার ভারতীয় সমর্থকদের]
সম্প্রতি পাক মুলুকে শোরগোল ফেলেছে জয়নাব আনসারি ধর্ষণের ঘটনা। ৭ বছরের পাক শিশুকন্যা কোরান পড়তে গিয়েছিল। তারপর আর ফিরে আসেনি। পরে ময়লার স্তূপে উদ্ধার হয় তার ক্ষতবিক্ষত দেহ। জানা যায়, নির্মমভাবে ধর্ষণ করে ময়লার স্তূপে ফেলে রেখে যাওয়া হয় তাকে। ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা পাকিস্তান। বুদ্ধিজীবী থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই সোচ্চার হন এই নারকীয় ঘটনার বিরুদ্ধে। কিন্তু এই প্রতিবাদীদের মধ্যেই কয়েকজন শিশু-নারীদের ধর্ষণের জন্য সিনেমার পর্দায় দেখানো প্রেম-যৌনতার দৃশ্যকে দায়ী করেছে। আর এক্ষেত্রে তাদের নিশানা ভারতের বলিউড। জেনারেট হয়েছে হ্যাশ ট্যাগ #StopVulgarityOnMedia।
[ভারতীয় বংশোদ্ভূত খুদের কাছে বুদ্ধিমত্তায় হার মানলেন আইনস্টাইন, হকিং]
এমন যুক্তি অবশ্য ধোপে টেকেনি। উত্তর ভারতীয়রাই দিয়েছেন। কোন যুক্তিতে এমন অভিযোগ আনা হয়েছে? এ প্রশ্ন ইতিমধ্যেই উঠে গিয়েছে। সিনেমার স্বাধীনতা নিয়ে এ দেশেও প্রশ্ন ওঠে। কিন্তু এমন অভিযোগ এ দেশে অন্তত ওঠে না। কারণ ধর্ষণ এক বিকৃতি। আর এই অপরাধে এমন যুক্তি কোনওভাবেই মানা যায় না। শিক্ষার অভাবই এমন যুক্তি খাড়া করতে পারে বলে মনে করেন অনেকে। পাকিস্তানে যা ঘটেছে তা অবশ্যই নিন্দনীয়। এর নেপথ্যে দায়ী অশিক্ষা, ভুয়া পুরুষতন্ত্র। যা পাকিস্তানের মতো রাষ্ট্রে ভীষণভাবে বর্তমান। যে দেশ কিনা সন্ত্রাসের আঁতুরঘর। সিনেমা বাস্তবকেই তুলে ধরে। তা মানুষকে জীবনের ভিন্ন ভিন্ন রূপ দেখায়। মানুষ কাল্পনিক এই মাধ্যম থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেন। তবে ধর্ষণের মতো বিকৃতির জন্য তা কোনওভাবেই দায়ী হতে পারে না। এমনই অভিমত নেটিজেনদের। অবশ্য এ কথা প্রতিবেশী দেশের কট্টরপন্থীদের মাথায় ঢুকবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে অনেকের।
[মহিলাদের কটূক্তি করলেই মোটা অঙ্কের জরিমানা ফ্রান্সে]
The post পাকিস্তানে বেড়ে চলা ধর্ষণের জন্য দায়ী বলিউড! appeared first on Sangbad Pratidin.
