ইরান-আমেরিকার সংঘাতে ফের উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য। হরমুজে হামলার জবাবে ইরানের ১৪০টি জায়গায় আক্রমণ করেছে বলে দাবি করেছে মার্কিন সেনার মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। অভিযানের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে তারা। অন্যদিকে, আমেরিকার হামলার বদলা নিতে কুয়েত-বাহরিন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মার্কিন ঘাঁটিতে পালটা হামলা চালিয়েছে তেহরান।
শনিবার হরমুজ প্রণালীতে ফের একটি বাণিজ্যতরীতে হামলা চালায় ইরান। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের দাবি, জাহাজটি অননুমোদিত পথ ধরে অগ্রসর হচ্ছিল। একাধিক সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বাণিজ্যতরীটি তা উপেক্ষা করে। এরপরই সেটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এই হামলার পরই তেহরান হরমুজ বন্ধ করার ঘোষণা করে। এর কিছুক্ষণ পরই ইরানকে 'শিক্ষা দিতে' খামেনেইয়ের দেশে ফের হামলা চালায় আমেরিকা। সেন্টকম একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজে সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি বাণিজ্যতরীতে হামলা চালিয়েছে ইরান। এর জেরে জাহাজটিতে আগুন লেগে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জাহাজের ইঞ্জিনের ঘর। বাণিজ্যতরীটি আর চলাচলের ক্ষমতায় ছিল না। হামলার পরই থেকেই জাহাজের ‘ক্রু’দের কোনও খোঁজ মিলছে না। সেন্টকম আরও জানিয়েছে, দু’দেশের মধ্যে যে মউ স্বাক্ষর হয়েছিল, তা মেনে চলার জন্য ইরানকে আরও একটি সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তেহরান তাতে ব্যর্থ হয়েছে।
ইরানের মার্কিন অভিযানের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে সেন্টকম। তারা লিখেছে, 'প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশের পর এই অভিযান চালানো হয়েছে।' অন্যদিকে, আমেরিকার হামলার পরই আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে ইরান। ইতিমধ্যেই তারা মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে একাধিক মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালাতে শুরু করেছে। কাতার, বাহরিন, কুয়েতে বেজেছে সাইরেন। আমিরশাহীর প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বহু ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ধ্বংস করেছে।
