shono
Advertisement
Israel Strikes Lebanon

বৈঠকের আগেই লেবাননে হামলা ইজরায়েলের, ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা বাতিল জেডি ভ্যান্সের

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়ে দিলেন, তিনি সুইৎজারল্যান্ডে যাচ্ছেন না। পরে কোনও এক দিন ঠিক করে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসা হবে। জানা যাচ্ছে, এই বৈঠক বাতিলের নেপথ্যে রয়েছে ইজরায়েল।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 05:05 PM Jun 19, 2026Updated: 06:37 PM Jun 19, 2026

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির লক্ষ্যে ইরান ও আমেরিকার প্রাথমিক মউ স্বাক্ষর হয়েছিল চলতি সপ্তাহেই। শুক্রবার সুইৎজারল্যান্ডে আলোচনায় বসার কথা ছিল দুই দেশের। তবে শেষ মুহূর্তে সেই বৈঠক বাতিল করল আমেরিকা। এদিন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়ে দিলেন, তিনি সুইৎজারল্যান্ডে যাচ্ছেন না। পরে কোনও এক দিন ঠিক করে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসা হবে। জানা যাচ্ছে, এই বৈঠক বাতিলের নেপথ্যে রয়েছে ইজরায়েল।

Advertisement

আড়াই মাসের বেশি সময় আমেরিকা ও ইরানের যুদ্ধের পর চলতি সপ্তাহে যে মউ সই হয়েছিল, তাঁর প্রাথমিক শর্ত ছিল লেবাননে কোনও হামলা চালাবে না আমেরিকা বা ইজরায়েল। তবে সেই শর্ত ফুৎকারে উড়িয়ে বৃহস্পতিবার রাতভর লেবাননে হামলা চালায় ইজরায়েল সেনা। শুক্রবার সগর্বে সেই হামলার কথা স্বীকার করে ইজরায়েলর তরফে জানানো হয়, তাদের সেনা রাতভর দক্ষিণ লেবাননের একাধিক ঠিকানায় হামলা চালিয়েছে। যে হামলায় মৃত্যু হয় ১৬ জনের। পাশাপাশি ইজরায়েল স্পষ্ট জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে হামলা জারি রাখবে তারা। কারণ হেজবোল্লা উত্তর ইজরায়েলে লাগাতার হামলা চালাচ্ছে।

আড়াই মাসের বেশি সময় আমেরিকা ও ইরানের যুদ্ধের পর চলতি সপ্তাহে যে মউ সই হয়েছিল, তাঁর প্রাথমিক শর্ত ছিল লেবাননে কোনও হামলা চালাবে না আমেরিকা বা ইজরায়েল।

ইজরায়েলের আরও দাবি, দক্ষিণ লেবাননে হেজবোল্লার হামলায় ৪ জন ইজরায়েলি সেনার মৃত্যু হয়েছে। এরই পালটা হামলা চালিয়েছে ইজরায়েলের বায়ুসেনা। অনুমান করা হচ্ছে, এই ঘটনার জেরেই আলোচনার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে শেষ মুহূর্তে সবকিছু বানচাল হয়ে গিয়েছে। শুক্রবার সকালে এক বিবৃতি জারি করে আমেরিকার উপরাষ্ট্রপতি জেডি ভ্যান্স জানান, তিনি আপাতত সুইৎজারল্যান্ডে যাচ্ছেন না। তবে ইরানের সঙ্গে কথাবার্তা জারি থাকবে। দিনক্ষণ ঠিক করে শীঘ্রই আলোচনায় বসবে দুই দেশ।

উল্লেখ্য, ইরান-আমেরিকার শান্তির লক্ষ্যে ১৪টি শর্তের উপর মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, ইরান, লেবানন-সহ মধ্যপ্রাচ্যের বাকি অংশে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। নতুন করে কোনও যুদ্ধ হবে না সেই গ্যারান্টি দেবে ইজরায়েল ও আমেরিকা। ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন, যেন লেবানন ইস্যুতে আরও বেশি দায়িত্ব নেন তিনি। কিন্তু দক্ষিণ লেবানন ও বেইরুটে ইজরায়েলের বোমা বর্ষণ চলছেই। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এহেন পরিস্থিতিতে শেষপর্যন্ত কি চুক্তি টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে?

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement