shono
Advertisement
Mohan Bhagwat

নিজ ভূমেই বর্ণবৈষম্য! ‘সংঘ ঘৃণা ছড়াচ্ছে’, ভগবতের সফরের মাঝেই তোপ মার্কিন কমিশনের

স্থানীয় সময় শনিবার দুপুর ২টো নাগাদ নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়্যার গার্ডেনে সভা করেন ভগবত। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ। কিন্তু তাঁর সভা ঘিরে বজায় রইল উত্তাপ। ইউএসসিআইআরএফ কমিশনর ড. আসিফ মাহমুদের অভিযোগ, আরএসএস-এর মতো সংগঠন ঘৃণা ছড়াচ্ছে। ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে।
Published By: Subhodeep MullickPosted: 09:37 AM Aug 30, 2026Updated: 09:37 AM Aug 30, 2026

নিজ দেশেই বর্ণবৈষম্যের দীর্ঘ ইতিহাস। অথচ ভারতকে ধর্মীয় স্বাধীনতার পাঠ! রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) প্রধান মোহন ভগবতের নিউ ইয়র্ক সফরের মাঝেই আরএসএস-কে ফের তোপ দাগল আমেরিকার আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা সংক্রান্ত কমিশন (ইউএসসিআইআরএফ)।

Advertisement

স্থানীয় সময় শনিবার দুপুর ২টো নাগাদ নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়্যার গার্ডেনে সভা করেন ভগবত। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ। কিন্তু তাঁর সভা ঘিরে বজায় রইল উত্তাপ। ইউএসসিআইআরএফ কমিশনর ড. আসিফ মাহমুদের অভিযোগ, আরএসএস-এর মতো সংগঠন ঘৃণা ছড়াচ্ছে। ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে। একই সঙ্গে আশ্চর্যজনকভাবে আলোচনার দরজাও খোলা রাখলেন তিনি। বললেন, "সুযোগ পেলে ভাগবতের সঙ্গে মুখোমুখি বসে কথা বলতে প্রস্তুত।” অনুষ্ঠানটির আয়োজকদের দাবি, এটি কোনও রাজনৈতিক সমাবেশ নয়। বিভিন্ন ধর্ম, সংস্কৃতি ও সম্প্রদায়ের মানুষকে নিয়ে 'ঐক্য ও পারস্পরিক বোঝাপড়া'র মঞ্চ। আরএসএস-ও একই সুরে বলেছে, "অনুষ্ঠানটি হচ্ছে ওপেন ডায়লগ বা মুক্ত আলোচনার ভাবনায়।" কিন্তু সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয় সমালোচকেরা। মাহমুদের বক্তব্য, ভারতের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা রয়েছে। কিন্তু আরএসএস নিয়ে তাঁর উদ্বেগ গুরুতর।

তবে, সরাসরি সংঘাতে না গিয়ে আরএসএস প্রধানের সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রস্তাবও দিয়েছেন ইউএসসিআইআরএফ কমিশনর। তাঁর যুক্তি, মুখোমুখি কথোপকথনে সংঘ প্রধানের তরফে যদি এমন কিছু আশ্বাস বা নিশ্চয়তা মেলে, তাহলে তাঁর বর্তমান অবস্থান বদলাতে পারে। অর্থাৎ, অভিযোগ রয়েছে, আপত্তিও রয়েছে, তবু আলোচনার রাস্তা বন্ধ নয়। ইউএসসিআইআরএফ আগেও সংঘ পরিবারের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। একাধিকবার নিষিদ্ধ করারও দাবি তুলেছেন। ফলে মাহমুদের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসাবে দেখছে না রাজনৈতিক মহল। নিউ ইয়র্কের একাধিক আন্তঃধর্মীয় এবং নাগরিক অধিকার সংগঠনও প্রকাশ্যে এই অনুষ্ঠান নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে। কয়েকদিন আগে সংঘ পরিবারকে আক্রমণ করেছিলেন নিউ ইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানিও।

কিন্তু এখানেই উঠছে প্রশ্ন। ওয়াশিংটন বারবার ভারত-সহ বিভিন্ন দেশের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তোলে। কিন্তু আমেরিকার সমাজ কি বৈষম্য থেকে মুক্ত? সাদা ও কালো চামড়ার নাগরিকদের মধ্যে বৈষম্য ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের ইতিহাস। সেই ইতিহাসের পাতায় সবচেয়ে আলোচিত নাম হল – জর্জ ফ্লয়েড।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement