ইরানের দেওয়া নয়া শান্তি প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফলে দ্বিতীয় বৈঠক নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তেহরান জানাল, ফের শুরু হতে পারে ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ। তাদের দাবি, ওয়াশিংটন কোনও চুক্তিতেই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয়।
ইরানের সেনা সদর দপ্তরের উপপ্রধান মহম্মদ জাফর আসাদি বলেন, “মার্কিন আধিকারিকদের কর্মকাণ্ড ও বিবৃতিগুলি মূলত প্রচার ভিত্তিক। তাঁদের আসল উদ্দেশ্য হল তেলের দাম হ্রাস করা এবং নিজেরা যা জঞ্জাল ছড়িয়েছে সেগুলি পরিষ্কার করা। আমেরিকা যদি নতুন করা কোনও অভিযান চালায়, তাহলে তার কড়া জবাব দিতে প্রস্তুত ইরানি সেনা।”
ইরানের সঙ্গে আমেরিকার সংঘাত থামাতে মধ্যস্থতা করছে পাকিস্তান। তাদের মাধ্যমে পাঠানো ইরানের সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছেন ট্রাম্প। জানিয়ে দিয়েছেন, ওয়াশিংটন নির্ধারিত সময়ের আগে সেখান থেকে সরবে না। কারণ, তারা চায় না তিন বছর পর আবারও একই ধরনের সমস্যার উদ্ভব হোক। পাশাপাশি তেহরানকে খোঁচা মেরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ”ওদের নেতৃত্ব একেবারে অসংগঠিত। সবাই সমঝোতায় পৌঁছাতে চায়, কিন্তু নিজেদের মধ্যেই চরম বিশৃঙ্খলা…”
এদিকে মার্কিন একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা যদি ফের যুদ্ধ শুরু করে সেক্ষেত্রে নয়া যে পরিকল্পনা রয়েছে তা হল, ইরানের পরিকাঠামো ধ্বংস করতে সেখানে ছোট অথচ মারণ হামলা চালানো। সেন্টকমের আশা, এটি তেহরানের ওপর চাপ তৈরি করবে এবং তাকে আলোচনার টেবিলে বসতে বাধ্য করবে। মার্কিন বাহিনী আশা করছে, ব্যাপকহারে বোমা বর্ষণ শুরু হলে, শান্তি আলোচনার শর্ত নিয়ে আলোচনার সময় ইরান পারমাণু ইস্যুতে আরও নমনীয় হতে পারে।
