পাকিস্তানে রহস্যমৃত্যু আরও এক ভারতশত্রুর। দিল্লির হিট লিস্টে থাকা হিজবুল মুজাহিদিন জঙ্গি সাজ্জাদ আহমেদের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। দাবি করা হচ্ছে, পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে কোনও অজ্ঞাত আততায়ীর হামলায় মৃত্যু হয়েছে এই জঙ্গির। জানা যাচ্ছে, কাশ্মীরি এই জঙ্গি উপত্যকায় একাধিক সন্ত্রাসী হামলার মাস্টারমাইন্ড। তার মৃত্যু পাকিস্তানে সক্রিয় ভারত-বিরোধী নেটওয়ার্কের জন্য বিরাট ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে।
সাজ্জাদ ঘনিষ্ঠদের দাবি অনুযায়ী, কোনও অজ্ঞাত ব্যক্তি সাজ্জাদকে হত্যা করেছে। যদিও এই ইস্যুতে পাকিস্তানের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি সামনে আসেনি। ফলে মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয় নিরাপত্তা বিভাগ এই মৃত্যুকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। তার মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি শুরু হয়েছে তদন্ত। এই হত্যার নেপথ্যে 'ধুরন্ধর' যোগ দেখছেন অনেকেই। পাশাপাশি অনেকেই অনুমান করছেন, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে সন্ত্রাসী সংগঠনগুলির আভ্যন্তরীণ সংঘাত থাকতে পারে।
সাজ্জাদ আহমেদ মূলত পাকিস্তানের বারামুলার বাসিন্দা। কয়েক বছর আগে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে চলে যায়। সেখানে বসেই ভারতীয় বিরোধী সন্ত্রাসী কার্যকলাপে নামে।
জানা যাচ্ছে, সাজ্জাদ আহমেদ মূলত পাকিস্তানের বারামুলার বাসিন্দা। কয়েক বছর আগে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে চলে যায়। সেখানে বসেই ভারতীয় বিরোধী সন্ত্রাসী কার্যকলাপে নামে। সূত্রের খবর, জম্মু ও কাশ্মীর-সহ ভারতের নানা প্রান্তে জঙ্গি হামলার ষড়যন্ত্র ও তা বাস্তবায়নে বড় ভূমিকা ছিল এই জঙ্গির। দেশের গোয়েন্দা বিভাগের হিট লিস্টে দীর্ঘদিন ধরে নাম ছিল এই জঙ্গির। ভারতে সন্ত্রাসী হামলাগুলির অন্যতম অপারেটর হিসেবে গণ্য করা হত এই জঙ্গিকে। তার মৃত্যু দেশের নিরাপত্তা বিভাগের জন্য নিশ্চিতভাবে স্বস্তির।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে পাকভূমে অজ্ঞাত বন্দুকবাজের হামলায় মৃত্যু হয়েছে একাধিক ভারত-বিরোধী সন্ত্রাসীর। আড়ালে থাকা এই হামলাকারীদের হিরো হিসেবে গণ্য করছে ভারতে জনগণ। সম্প্রতি পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে অজ্ঞাত হামলায় মৃত্যু হয়েছিল লস্কর-ই-তইবা জঙ্গি সংগঠনের অন্যতম শীর্ষ কমান্ডার শেখ ইউসুফ আফ্রিদির। জানা যায়, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে লস্করের সংগঠনের প্রধান ছিল আফ্রিদি। মূলত এখান থেকে মুজাহিদদের (আত্মঘাতী জঙ্গি) প্রশিক্ষণ দিয়ে কাশ্মীর-সহ অন্যান্য জায়গায় পাঠানোর দায়িত্ব ছিল এর উপরেই। বহুবার হাফিজ সইদের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা এই আফ্রিদিকে। তার মৃত্যুতেও উঠে আসে 'ধুরন্ধর' যোগ।
