shono
Advertisement
Astrology

রূপের সঙ্গে খুলবে ভাগ্যও, নাক ফোটানোর আগে জানুন কী বলছে জ্যোতিষশাস্ত্র?

সাবেকি শাড়ির আভিজাত্য হোক, কিংবা আজকের জিন্স-টপের ফিউশন। নাকের একপাশে এক টুকরো হিরে থাকা চাই। কিংবা সোনার নাকফুল। নিমেষে বদলে দিতে পারে গোটা রূপটাই। তবে নাক ফোটানোর কথা ভাবলেই অবধারিত ভাবে একটা প্রশ্ন মনে জাগে, বাঁ দিক না ডান দিক? ঠিক কোন দিকে সুচ ফোটানো হলে শুধু রূপ নয়, খুলবে ভাগ্যও?
Published By: Buddhadeb HalderPosted: 04:35 PM May 29, 2026Updated: 04:35 PM May 29, 2026

সাবেকি শাড়ির আভিজাত্য হোক, কিংবা আজকের জিন্স-টপের ফিউশন। নাকের একপাশে এক টুকরো হিরে থাকা চাই। কিংবা সোনার নাকফুল। নিমেষে বদলে দিতে পারে গোটা রূপটাই। তবে নাক ফোটানোর কথা ভাবলেই অবধারিত ভাবে একটা প্রশ্ন মনে জাগে, বাঁ দিক না ডান দিক? ঠিক কোন দিকে সুচ ফোটানো হলে শুধু রূপ নয়, খুলবে ভাগ্যও? আধুনিক মন যুক্তি খুঁজলেও, জ্যোতিষশাস্ত্র কিন্তু এ নিয়ে বেশ চমকপ্রদ ইঙ্গিত দিচ্ছে।

Advertisement

ছবি: সংগৃহীত

দিদিমা-ঠাকুমার আমল থেকেই একটা কথা প্রচলিত যে, মেয়েদের নাক ফোটানো নাকি বাধ্যতামূলক। এতে নাকি সংসারের শ্রী ফেরে। যদিও শাস্ত্রের পাতায় এমন কোনও কড়া নিয়মের হদিশ মেলে না। তবে গ্রহ-নক্ষত্রের ফেরে নাকছাবির মাহাত্ম্য মোটেও কম নয়।

জ্যোতিষীদের মতে, আমাদের নাকের সঙ্গে ‘দৈত্যগুরু’ শুক্রের এক নিবিড় সংযোগ রয়েছে। রাশিচক্রে শুক্র হল সৌন্দর্য, প্রেম এবং জাগতিক সুখ-সমৃদ্ধির কারক গ্রহ। নাসিকায় অলঙ্কার ধারণ করলে জন্মকুণ্ডলীতে এই শুক্র গ্রহ নাকি ভীষণ ভাবে বলীয়ান হয়ে ওঠে। আর শুক্র তুঙ্গে থাকা মানেই জীবনে ঐশ্বর্য এবং প্রেমের জোয়ার আসা। এখন প্রশ্ন হল, ডান নাক নাকি বাম নাক? কোন দিক শুভ? জ্যোতিষবিজ্ঞান বলছে, নাক ফোটানোর জন্য বাঁ দিকই হল শ্রেষ্ঠ। মনে করা হয়, নাকের বাঁ দিকে অলঙ্কার পরলে তা জীবন থেকে সমস্ত নেতিবাচক শক্তি দূরে ঠেলে দেয়। কেটে যায় দীর্ঘদিনের আর্থিক টানাপোড়েন। তবে ডান দিকে ফোটানো যে অপরাধ, তেমনটা নয়। তবে সৌভাগ্যের পূর্ণ জোয়ার পেতে বাঁ দিক বেছে নেওয়াই দস্তুর।

প্রতীকী ছবি

শাস্ত্রীয় বিশ্বাস, যে নারীরা নিয়মিত নাকছাবি পরেন, তাঁদের মনের ওপর এক অদ্ভুত নিয়ন্ত্রণ থাকে। আবেগতাড়িত হয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতা কমে। বাড়ে ধৈর্য এবং আত্মবিশ্বাস। এমনকী, এই ছোট্ট গয়নাটি নাকি অতিলৌকিক ‘নজরদোষ’ থেকেও রক্ষা করে। চারপাশের কুদৃষ্টিকে অনায়াসে শুষে নিতে পারে এই সামান্য অলঙ্কার।

তবে ধাতু নির্বাচনের ক্ষেত্রেও রয়েছে বিশেষ নিধান। আজকাল রুপো বা ইমিটেশনের চল বাড়লেও, শাস্ত্রে সোনাকেই সর্বোচ্চ স্থান দেওয়া হয়েছে। খাঁটি সোনার নাকছাবি পরলে মানুষের সাহস ও আত্মবল বৃদ্ধি পায়। আর যদি পাথরের শখ থাকে? তবে হিরে বা মুক্তো বসানো নাকছাবি অনায়াসে বেছে নিতে পারেন। তা যেমন একধারে বাড়াবে রূপের জেল্লা, তেমনই সুপ্রসন্ন করবে ভাগ্যদেবতাকে। তাই শুধু ফ্যাশন নয়, ভাগ্যের চাকা ঘোরাতেও এবার নাক ফোটানোর পরিকল্পনা করতেই পারেন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement