ভক্তি ভরে ঠাকুরঘরে প্রণাম সেরে তবেই দিনের শুরু। পকেটে বা মানিব্যাগে ইষ্টদেবতার ছোট একটি ছবি। অনেকেরই ধারণা, ঈশ্বর সঙ্গে থাকলে বিপদ-আপদ দূরে থাকবে। উপচে পড়বে অর্থ। কিন্তু শাস্ত্র বলছে অন্য কথা। আপনার এই অগাধ ভক্তিই হয়তো আর্থিক অনটনের মূল কারণ। জ্যোতিষবিদদের মতে, মানিব্যাগে দেবদেবীর ছবি রাখা আদতে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে। কেন এই বিরূপ প্রভাব? জেনে নিন বিশদে।
প্রতিটি বস্তুর একটি নির্দিষ্ট শক্তি বা ‘এনার্জি’ থাকে। মানিব্যাগ সাধারণত পকেটে রাখা হয়। যা শরীরের নিম্নাংশের সংস্পর্শে থাকে। দেবদেবীর ছবি বা মূর্তি অত্যন্ত পবিত্র। তাঁদের জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট শুদ্ধ স্থান। মানিব্যাগ যেখানে-সেখানে রাখা বা নোংরা হাতে ব্যবহার করলে সেই পবিত্রতা নষ্ট হয়। ফলে পজিটিভ এনার্জির বদলে নেতিবাচক শক্তির উদ্ভব ঘটে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে আপনার উপার্জনের ওপর। এছাড়া ব্যাগের ভেতর পুরনো বিল বা রসিদ রাখা শাস্ত্রীয় মতে ‘রাহু’র প্রতীক। পবিত্র ছবির পাশে এই আবর্জনা রাখা বাস্তু দোষ তৈরি করে। ফলে লক্ষ্মীলাভে বাধা আসে।
ফাইল ছবি
ভাগ্য ফেরানোর অব্যর্থ উপায়
টাকা তো সবাই রোজগার করেন। কিন্তু মাস শেষে পকেটে টান পড়ে অনেকেরই। কীভাবে ফেরাবেন হারানো ভাগ্য? শাস্ত্রীয় কিছু সহজ টোটকা মেনে চললে সুফল মিলতে পারে।
চালের দানা: ২১টি নিখুঁত চালের দানা একটি লাল কাপড়ে মুড়ে মানিব্যাগে রাখুন। চাল হল সমৃদ্ধির প্রতীক। এটি অপ্রয়োজনীয় খরচ কমিয়ে দেয়। বজায় রাখে অর্থের প্রবাহ।
লাল কাগজের ম্যাজিক: কোনও বিশেষ ইচ্ছে থাকলে তা লাল কাগজে লিখে ব্যাগে রাখতে পারেন। লাল রং মঙ্গলের প্রতীক। এটি আপনার ইচ্ছাশক্তি বাড়িয়ে অর্থ উপার্জনে সহায়তা করে।
লবঙ্গ ও এলাচ: ব্যাগের এক কোণে দুটি লবঙ্গ ও একটি এলাচ রেখে দিন। এটি চারপাশে পজিটিভ ভাইব তৈরি করে। খুলে দেয় উন্নতির নতুন রাস্তা। বাড়তি উপার্জনের পথ তৈরি হয়।
পরিচ্ছন্নতা: মানিব্যাগে পুরনো ট্রেনের টিকিট বা মেমো জমিয়ে রাখবেন না। এগুলি নেতিবাচক শক্তি টানে। ব্যাগ সব সময় পরিষ্কার রাখুন।
ছেঁড়া মানিব্যাগ: প্রিয় ব্যাগটি ছিঁড়ে গেলেও মায়ার টানে তা ব্যবহার করবেন না। জ্যোতিষ মতে, ছেঁড়া মানিব্যাগ হল দুর্ভাগ্য ও দারিদ্র্যের লক্ষণ। আর্থিক উন্নতি চাইলে দ্রুত ব্যাগ বদলে ফেলুন।
