সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাচ্ছে ভাবপ্রকাশের ধরণ। পথেঘাটে কান পাতলেই শোনা যায় কুকথার বন্যা! তা যে কেবল রাগ করে তা কিন্তু নয়। জেন জির আনন্দের ভাষাও হয়ে দাঁড়িয়েছে গালিগালাজ। স্রেফ কুল প্রমাণে কথায় কথায় তরুণ প্রজন্মের মুখে শোনা যায় অশ্লীল ভাষা। কিন্তু জানেন কি এই কুল প্রমাণের চেষ্টাই ডেকে আনছে ভয়ংকর বিপদ?
জ্যোতিষবিদের কথায়, অনবরত কুকথা প্রয়োগের অর্থ মুখে রাহুর বাস। যা ভীষণভাবে নেতিবাচক। জ্যোতিষশাস্ত্রে বলা হয়, লাগাতার কুকথা প্রয়োগের নেতিবাচক প্রভাব পড়ে জীবনে। হওয়া কাজ আটকে যায়। কারণ ছাড়াই একাধিক সমস্যা এসে হাজির হয়।
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মতে, কখনও কখনও গালিগালাজ রাগ কমাতে বা মনকে শান্ত করে সাহায্য করে। কিন্তু জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে অন্য কথা। এক জ্যোতিষবিদের কথায়, অনবরত কুকথা প্রয়োগের অর্থ মুখে রাহুর বাস। যা ভীষণভাবে নেতিবাচক। জ্যোতিষশাস্ত্রে বলা হয়, লাগাতার কুকথা প্রয়োগের নেতিবাচক প্রভাব পড়ে জীবনে। হওয়া কাজ আটকে যায়। কারণ ছাড়াই একাধিক সমস্যা এসে হাজির হয়। আপনি হয়তো ভাবছেন, কেন আপনার জীবনেই বারবার বাধা আসছে। বুঝে উঠতে পারছেন না বিষয়টা কী, কারণ একটাই, কুকথা প্রয়োগ।
তবে এছাড়াও কুকথার বেশ কিছু প্রভাব পড়ে জীবনে। অতিরিক্ত গালিগালাজ পরিবার, বন্ধুবান্ধব ও সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করতে পারে। কারণ, মজার ছলে গালিগালাজ করলেও কখন কোন কথা কাউকে আঘাত করে ফেলে, তা বলা যায় না। বয়স্কদের চোখে আপনি অভদ্র, উগ্র হিসেবে চিহ্নিত হতে পারেন। যা কখনই কাম্য নয়। সর্বদা কুকথার ব্যবহার প্রিয় মানুষের চোখে আপনাকে অপ্রিয় করে তুলতে পারে। তাই এই ধরণের ভাষা প্রয়োগের আগে সতর্ক হোন।
