গঙ্গাপাড়ের মতোই ভয়ংকর গরমে পুড়ছে পদ্মার তীর। এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে রাজধানী ঢাকা-সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ 'রুদ্র বৈশাখে' অতিষ্ঠ। এর মধ্যেই রবিবার বিকেলে বৃষ্টির পর উষ্ণতার দিক থেকে স্বস্তি এলেও দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতে প্রাণ হারালেন ১৩ জন।
রবিবার সকাল থেকেই আকাশে মেঘ জমছিল। বিকেলেই 'সন্ধে' নামে সেই কালো মেঘে। এর পর বিদ্যুতের ঝলকানি, মেঘের ভয়ানক গর্জন। আর তাপ কমানো বৃষ্টি। বিকেল পাঁচটার দিকে হুড়মুড় করে নামে বহু প্রতিক্ষিত বারিধারা। যার পর গোটা দেশেই অনেকটা তাপমাত্রা কমেছে। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে জীবনানন্দের দেশ। যদিও বৃষ্টি থামতেই জানা যায়, কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতে বিভিন্ন জেলায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গাইবান্ধায় প্রাণ গিয়েছে ৫ জনের, সিরাজগঞ্জে ২, ঠাকুরগাঁওয়ে ২, জামালপুরে ২, বগুড়ায় ১ এবং পঞ্চগড়ে ১ জন চা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ঝড় ও বজ্রপাতে আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। গাইবান্ধা জেলায় বজ্রপাতে বিকেলে যে ৫ জন মারা গিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের ৩ জন।
