shono
Advertisement
TikTok Facebook

বাবা নয়, মায়ের কাছেই থাকবে খুদে! টিকটক-ফেসবুক না করে সন্তানের যত্ন নিতে হবে ভাইরাল কিশোরীকে

টিকটকে প্রেমের পর পালিয়ে বিয়ে করেছিল ওই কিশোরী।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 07:09 PM Aug 09, 2026Updated: 07:09 PM Aug 09, 2026

১১ বছরে বিয়ে, ১৩-তে মা হয়েছে বাংলাদেশি কিশোরী। কয়েকমাস পেরতে না পেরতেই দাম্পত্য কলহের জেরে সন্তানের অধিকার পেতে ছুটেছেন লিগ্যাল এইড কার্যালয়ে। সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল সেই কিশোরীর কাহিনী। শুনানি শেষে আপাতত সাত মাসের খুদেকে তুলে দেওয়া হল ঢাকার হাজারিবাগের কিশোরী মায়ের হাতে। তবে শেষ নিষ্পত্তি হবে আদালতেই। শুনানিতে কথা দিয়েছে, টিকটক ও ফেসবুকে মজে থাকবে না সে। নজর দেবে সন্তানের দিকে। এদিন জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার অভিভাবকদের সন্তানের স্মার্টফোন ব্যবহার ও অনলাইনে যোগাযোগের বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।

Advertisement

বাংলাদেশের বাসিন্দা ওই কিশোরী। বাবা-মা দুজনেই কর্মসূত্রে থাকতেন সৌদি আরবে। সপ্তম শ্রেণিতে পড়াকালীন চুটিয়ে টিকটক করত কিশোরী। সেই সূত্রেই পরিচয় হয় মহম্মদ শাকিল মিয়ার সঙ্গে। বাবা-মা দূরে থাকায় বাধা সে অর্থে ছিল না, ফলে প্রেম এগিয়েছে রকেটের গতিতে। ছাত্রীর বাবার দাবি, একবার শাকিল তাঁর মেয়েকে নিয়ে যায়। ৭ দিন পর কিশোরী আবার ফিরে আসে। নাবালিকার কথায়, এরপর তাকে বোঝানো হয় পরিবার এই সম্পর্ক মানবে না, তাই বিয়ে করে নেওয়াই ঠিক। প্রেমিকের কথা শুনে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ে সে।  সাত মাস আগে ফুটফুটে সন্তানের জন্য দেয় ওই কিশোরী। মাস তিনেক আগে বাচ্চাকে রেখে কিশোরীকে বাড়ি থেকে বের করে দেয় শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা। শুরু আইনি লড়াই। লিগ্যাল এইড অফিসারের নির্দেশে অল্প সময়ের জন্য সন্তানকে কাছে পায় কিশোরী। এদিন শুনানির পর লিগ্যাল এইড কার্যালয় পুনরায় সন্তানকে আপাতত কিশোরীর কাছেই রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

কিশোরীর পরিবার জানিয়েছে, মেয়েকে ফুসলিয়ে নিয়ে যাওয়া, ভুয়ো বিয়ে, যৌন নির্যাতন ও প্রতারণার অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হবে। কিশোরীর আইনজীবী মৃণালকান্তি মিত্র বলেন, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। খুব শিগগিরই মামলাটি করা হবে। তিনি দাবি করেন, কিশোরীর প্রকৃত বয়স ১৩ বছর ৫ মাস ১৩ দিন। অনলাইনে থাকা জন্মনিবন্ধনের তথ্য পরিবর্তন করে তার বয়স ২০ বছর দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এছাড়া স্ট্যাম্প বা নোটারির মাধ্যমে তৈরি কাগজকে বৈধ বিয়ের দলিল হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও তা বৈধ নয়। অন্যদিকে অভিযুক্ত পক্ষের দাবি, কিশোরীর বয়স ২০ বছর ছিল। তাদের কাছে এসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement