'লম্বা রেসের ঘোড়া' বললেও অত্যুক্তি হয় না। বাংলাদেশের (Bangladesh) বর্তমান শাসকদল বিএনপি-র মহাসচিব এবং দেশের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগিরের (Mirza Fakhrul Islam) কথা বলা হচ্ছে। দল ও প্রশাসনের নানা দায়িত্ব দীর্ঘকাল সামলানো বর্ষীয়ান নেতার রাজনৈতিক কেরিয়ারে নতুন পালক জুড়তে চলেছে। চারপাশে জোর আলোচনা, বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুলের স্থলাভিষেক প্রায় নিশ্চিত। আগামী ২০ আগস্ট সে দেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। মনোনয়ন হবে ১৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৪টের মধ্যে।
২০১১ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি বা বিএনপি-র মহাসচিবের অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব পেয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির। ২০১৬ সালে দলের সর্বসম্মতিক্রমে এই পদে নির্বাচিত হন। সেই থেকে আজ পর্যন্ত, ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন বর্ষীয়ান নেতা। বিশেষত খালেদা জিয়া কারাবন্দি থাকাকালীন এবং তাঁর পুত্র, আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিদেশে বসবাসের দীর্ঘ সময় দলকে একেবারে বেঁধে রাখার দায়িত্ব প্রায় একা নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন মির্জা ফখরুল।
যদিও এখনও বিএনপি-র তরফে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে এখনও মির্জা ফখরুলের নাম ঘোষণা হয়নি। কিন্তু অন্দরের খবর, তাঁকেই সর্বসম্মতিক্রমে মনোনীত করা হয়েছে দলের তরফে। সেই সম্মতিপত্রে সই করেছেন প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও। তবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, প্রেসিডেন্ট পদের জন্য মির্জা ফখরুলকে লড়তে হবে জামাত জোটের প্রার্থী আলি আহমেদের সঙ্গে। আগেই জামাত নিজেদের প্রার্থী হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত এই কর্নেলের নাম ঘোষণা করেছিল। মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি হওয়ার সম্ভাবনায় যেমন খুশি বিএনপি শিবির, তেমনই প্রশ্ন উঠছে দলের পরবর্তী মহাসচিব কে হবেনন, তা নিয়ে।
২০১১ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি বা বিএনপি-র মহাসচিবের অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব পেয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির। ২০১৬ সালে দলের সর্বসম্মতিক্রমে এই পদে নির্বাচিত হন। সেই থেকে আজ পর্যন্ত, ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন বর্ষীয়ান নেতা। বিশেষত খালেদা জিয়া কারাবন্দি থাকাকালীন এবং তাঁর পুত্র, আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিদেশে বসবাসের দীর্ঘ সময় দলকে একেবারে বেঁধে রাখার দায়িত্ব প্রায় একা নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন মির্জা ফখরুল। গত ফেব্রুয়ারিতে যখন বাংলাদেশে বিএনপি-র তারেকের নেতৃত্বে সরকার প্রতিষ্ঠা করেছিল, তখন থেকেই জল্পনা ছিল যে এবার মির্জা ফখরুল পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হতে পারেন। এরপর গত জুলাইতে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে মহম্মদ সাহবুদ্দিন ইস্তফা দেওয়ায় সেই জল্পনা ধীরে ধীরে সত্যি হওয়ার পথে।
