বাংলাদেশে নতুন সরকারের জমানায় কূটনৈতিক সমীকরণেও কিছুটা বদল করল ভারত। সে দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে স্মরণ করেছে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন। শনিবার হাইকমিশনের এক বার্তায় জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করা হয়েছে।
বার্তায় বলা হয়েছে, 'আজ ৩০ মার্চ বাংলাদেশের জনগণ যখন জাতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম-এর স্মরণে সমবেত হয়েছে, তখন আমরা ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে তাঁর কণ্ঠে ধ্বনিত সেই বিখ্যাত বেতার ভাষণের কথা স্মরণ করছি, যা জনগণকে উদ্দীপ্ত করেছিল, নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের পথে তাঁদের অনুপ্রাণিত করেছিল এবং জাতীয় মুক্তির দিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল।' ভারতীয় হাইকমিশনের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, 'আজও তখনকার মতোই, ভারত বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অভিন্ন আত্মত্যাগের এক গৌরবগাথা এবং উভয় দেশের জনগণের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির অভিন্ন যাত্রায় পাশে রয়েছে।'
বার্তায় বলা হয়েছে, 'আজ ৩০ মার্চ বাংলাদেশের জনগণ যখন জাতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম-এর স্মরণে সমবেত হয়েছে, তখন আমরা ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে তাঁর কণ্ঠে ধ্বনিত সেই বিখ্যাত বেতার ভাষণের কথা স্মরণ করছি, যা জনগণকে উদ্দীপ্ত করেছিল, নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের পথে তাঁদের অনুপ্রাণিত করেছিল এবং জাতীয় মুক্তির দিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল।'
ভারতীয় হাইকমিশনের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, 'আজও তখনকার মতোই, ভারত বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অভিন্ন আত্মত্যাগের এক গৌরবগাথা এবং উভয় দেশের জনগণের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির অভিন্ন যাত্রায় পাশে রয়েছে।' শনিবার ভারতীয় হাইকমিশনের ফেসবুক পেজ থেকে এই বিবৃতি পোস্ট করা হয়েছে। ১৯৭১ সালের ৩০ মার্চ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান। তা আপামর বাংলাদেশবাসীকে উজ্জীবিত করেছিল। পরে, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে সেনাবাহিনীর কয়েকজন সদস্যের হাতে নিহত হন জিয়াউর রহমান। সেই দিনটিকে স্মরণ করল শনিবার ভারতীয় হাইকমিশন, তাঁর শাহাদাত বার্ষিকীতে।
