সুকুমার সরকার, ঢাকা: প্রবাসী যুবকের গোপনাঙ্গ কেটে নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার স্ত্রী-সহ দুই মহিলা। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ঢাকার অদূরে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জে।
বুধবার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি গোলাম মোস্তাফা জানান, সারওয়ার (৩৫) নামের এক যুবকের গোপনাঙ্গ কাটার অভিযোগে স্ত্রী-সহ দুই মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃত সারওয়ারের স্ত্রী ফরিদা ইয়াসমিন (২৮) এবং পাইনাদী নতুন মহল্লার বাসিন্দা আমেনা ওরফে রহিমা বেগম (৪৫)। মঙ্গলবার রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পুলিশের এসআই ইয়াউর রহমানের নেতৃত্বে একটি টিম চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।
[আরও পড়ুন: রিঙ্কুর কাছে পাঁচ ছক্কা খেয়ে গুরুতর অসুস্থ গুজরাটের পেসার যশ, কমল ৮ কেজি ওজন]
সূত্রের খবর, সারওয়ার দুবাইয়ের বাসিন্দা। বিদেশে থাকাকালীন ফরিদা ইয়াসমিনের সঙ্গে ফোনেই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে তাঁর। পরে উভয় পক্ষের সম্মতিতে বিয়ে করেন তাঁরা। কিন্তু বিয়ের কিছুদিন না যেতেই সারওয়ার বাংলাদেশে ফিরে জানতে পারেন, তাঁর স্ত্রীর আগে থেকেই বিবাহিত। তাঁর দুই সন্তানও আছে। এমন তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই ফরিদার সঙ্গে দাম্পত্যে ইতি টানেন সারওয়ার।
এরপর গত ১৬ এপ্রিল রাত ১১টা নাগাদ ফরিদা আচমকা যোগাযোগ করেন সারওয়ারের সঙ্গে। ‘কথা আছে’ বলে পাইনাদী নতুন মহল্লার শামসুদ্দিন স্কুলের পাশে আমেনা ওরফে রহিমা বেগমের বাড়িতে তাঁকে ডেকে পাঠান। সেখানেই সারওয়ারকে পানীয় আর কেকের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাইয়ে দেন ফরিদা। ঘুমে ঢলে পড়লে সারওয়ারের যৌনাঙ্গ কেটে ফেলা হয় বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভরতি করেই চম্পট দেন ফরিদা আর রহিমা। পরে সারওয়ারের পরিবার খবর পেয়ে হাসপাতালে যায়। সারওয়ারের বাবা মহম্মদ বাবুল প্রধান (৬২) এই ঘটনায় মামলা দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার করা হয় দুই মহিলা অভিযুক্তকে।
