তারেক জমানায় কাটছে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের শীতলতা। ফের বাংলাদেশিদের পর্যটন ভিসা দিতে চলেছে ভারত। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী ঘোষণা করেন, আগামী ২৮ জুন থেকে বাংলাদেশিদের পর্যটন ভিসা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতেই এই পদক্ষেপ করল নয়াদিল্লি।
এদিন ঢাকায় ভারতীয় ভিসা সেন্টারে সংবাদিক সম্মেলনে বাংলাদেশিদের পর্যটন ভিসা দেওয়ার বিষয়টি জানান দীনেশ ত্রিবেদী। ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনার ভিসা সেন্টার থেকে একযোগে ভারতীয় ভিসার দেওয়ার কাজ শুরু হবে। তিনি বলেন, "যখন বেনাপোল হয়ে বাংলাদেশে আসছিলাম তখনই ভিসার প্রশ্নটি উঠেছিল। ভিসা খুব জরুরি একটি বিষয়। তাই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।"
কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে বাংলাদেশে পতন হয়েছিল শেখ হাসিনা সরকারের। এরপর ক্ষমতায় আসে মহম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সেই সময় দেশজুড়ে অস্থীর পরিস্থিতিতে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সব ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারগুলিকে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে চালু হলেও নিরাপত্তার শঙ্কায় ঢাকায় অবস্থিত মূল ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রটি ১৭ ডিসেম্বর বন্ধ করা হয়। এরপর ২১ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে ভারতীয় ভিসাকেন্দ্রে হামলা হয়। যার পরে এই কেন্দ্রটিকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছিল।
দীর্ঘ সময় ধরে চলা অরাজক অবস্থা কাটে নির্বাচনে জিতে তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর। ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেরও উন্নতি হয়। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, "আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমরা ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য স্বাভাবিক ভিসা আবেদন কার্যক্রম করছি, যা আগামী ২৮ জুন থেকে জমা দেওয়া যাবে। মানবিক বিবেচনায় মেডিক্যাল ভিসার সুবিধা আমরা অব্যাহত রাখব।"
