মা একা থাকেন। তাই নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ঢাকার ফ্ল্যাটে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়েছিলেন ছেলে মাহবুব হাসান। আর মাঝরাতে সেই সিসিটিভিতেই মায়ের হত্যাদৃশ্য দেখে শিউরে উঠলেন তিনি। দেখলেন, নিজেরই ভাইপো বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে ফ্ল্যাটে ঢুকে বৃদ্ধা ঠাকুমাকে খুন করেছে! তারপর তাঁর কানের দুল খুলে নিয়ে চম্পট দিয়েছে। 'খুনি'র বিরুদ্ধে থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেন মাহবুব। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে আবু তালহা সজীবকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালতে সে নিজের দোষ স্বীকার করেছে বলে দাবি। আপাতত কারাবাসে আবু তালহা।
গভীর রাতে বাসার সিসিটিভি ফুটেজ দেখতেই চক্ষুচড়কগাছ তাঁর।মাহবুব দেখতে পান, বিকেল ৫টা ৪১ মিনিট নাগাদ তাঁর চাচাতো ভাইয়ের ছেলে আবু তালহা সজীব কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির সহায়তায় ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে। শোবার ঘরে প্রবেশ করে প্রথমে বালিশ ও কাপড় দিয়ে মাহবুব আরার শ্বাসরোধের চেষ্টা করা হয়। তিনি বাধা দিলে খাট থেকে টেনে মেঝেতে ফেলে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধ করা হয়। এতেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে অভিযুক্ত ঘর থেকে একটি সোনার দুল নিয়ে দরজা ভিতর থেকে লক করে ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেন।
জানা যাচ্ছে, নিহত বৃদ্ধা মাহবুব আরার স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি ঢাকার দক্ষিণখানের দক্ষিণ গাওয়াইর এলাকায় নিজের বাড়ির দ্বিতীয় তলায় একাই থাকতেন। নিরাপত্তার কথা ভেবে তাঁর ছেলে মাহবুব হাসান ফ্ল্যাটের বিভিন্ন স্থানে, এমনকি শোবার ঘরেও সিসিটিভি ক্যামেরা বসান। মাহবুব হাসান নিজে পরিবারের সঙ্গে উত্তরা পশ্চিম এলাকায় থাকলেও নিয়মিত মায়ের খোঁজখবর নিতেন। গত বৃহস্পতিবার ব্যস্ততার কারণে দিনভর মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি মাহবুব হাসান। গভীর রাতে বাসার সিসিটিভি ফুটেজ দেখতেই চক্ষুচড়কগাছ তাঁর।
মাহবুব দেখতে পান, বিকেল ৫টা ৪১ মিনিট নাগাদ তাঁর চাচাতো ভাইয়ের ছেলে আবু তালহা সজীব কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির সহায়তায় ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে। শোবার ঘরে প্রবেশ করে প্রথমে বালিশ ও কাপড় দিয়ে মাহবুব আরার শ্বাসরোধের চেষ্টা করা হয়। তিনি বাধা দিলে খাট থেকে টেনে মেঝেতে ফেলে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধ করা হয়। এতেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে অভিযুক্ত ঘর থেকে একটি সোনার দুল নিয়ে দরজা ভিতর থেকে লক করে ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেন।
ঘটনার পর শুক্রবার দক্ষিণখান থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের ছেলে মাহবুব হাসান। মামলার তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সেই সূত্র ধরেই গাওয়াইর এলাকা থেকে আবু তালহা সজীবকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরবর্তীতে তাকে আদালতে হাজির করা হলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। আপাতত কারাবাসে সজীব।
