ফুটেফুটে এক কিশোরীর কোলে দুধের শিশু! গত কয়েকদিন ধরে সোশাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে এই ভিডিও। কেউই বুঝে উঠতে পারছেন না ঘটনাটি কী। অবশেষে প্রকাশ্যে আসল গল্প। পুতুল খেলার বয়সে মা হয়ে গিয়েছে কিশোরী। এখানেই শেষ নয়। এই মুহূর্তে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা নিয়ে আদালতের দরজার সে। জানে না সন্তান আদৌ তার কাছে থাকবে নাকি স্বামীর কাছে। কিন্তু প্রশ্ন হল, এই বয়সে কীভাবে এই পরিণতি?
জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের বাসিন্দা ওই কিশোরী। বাবা-মা দুজনেই কর্মসূত্রে থাকতেন সৌদি আরবে। সপ্তম শ্রেণিতে পড়াকালীন চুটিয়ে টিকটক করত কিশোরী। সেই সূত্রেই পরিচয় হয় মহম্মদ শাকিল মিয়ার সঙ্গে। বাবা-মা দূরে থাকায় বাধা সে অর্থে ছিল না, ফলে প্রেম এগিয়েছে রকেটের গতিতে। ছাত্রীর বাবার দাবি, একবার শাকিল তাঁর মেয়েকে নিয়ে যায়। ৭ দিন পর কিশোরী আবার ফিরে আসে। নাবালিকার কথায়, এরপর তাকে বোঝানো হয় পরিবার এই সম্পর্ক মানবে না, তাই বিয়ে করে নেওয়াই ঠিক। প্রেমিকের কথা শুনে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ে সে।
তারা নাকি কাজির কাছে গিয়ে বিয়ে করেছে, অথচ কাবিনই হয়নি! সাত মাস আগে ফুটফুটে সন্তানের জন্য দেয় ওই কিশোরী। মাস তিনেক আগে বাচ্চাকে রেখে কিশোরীকে বাড়ি থেকে বের করে দেয় শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা। শুরু আইনি লড়াই। লিগ্যাল এই অফিসারের নির্দেশে সন্তানকে কাছে পায় কিশোরী। যদিও এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত নয়। আগামীতে জানা যাবে, কার কাছে থাকবে সন্তান। উল্লেখ্য, শাকিলের দাবি, তিনি জানতেন কিশোরীর বয়স ২০ বছর। সেই কারণেই বিয়ে করেছিলেন।
