shono
Advertisement
Bangladesh

সোশাল মিডিয়ায় নগ্নতা! নিজের নীলছবি বানিয়ে লক্ষ লক্ষ রোজগার, এবার পুলিশের জালে সুমাইয়া

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের একটি টিম গত কয়েকদিন আগে ঢাকার ভাটারা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুমাইয়া সাঈদকে গ্রেপ্তার করে।
Published By: Kousik SinhaPosted: 05:24 PM Aug 22, 2026Updated: 05:34 PM Aug 22, 2026

বড়সড় নীলছবি তৈরির পর্দাফাঁস বাংলাদেশে! সমাজমাধ্যমকে ব্যবহার করে নীলছবি বিক্রির অভিযোগ। সুমাইয়া সাইদ নামে এক যুবতীকে গ্রেপ্তার করল সে দেশের পুলিশ প্রশাসন। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ধৃতের এক সহযোগীকেও। ধৃতের নাম খাজা সাকলাইন ফারুক। জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দুজনকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম রাজধানী ঢাকার ভাটারা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। কনটেন্ট তৈরি থেকে মোটা অঙ্কের বিনিময়ে তা সরবরাহ, বড়সড় কেলেঙ্কারির সঙ্গে সুমাইয়া এবং ফারুক যুক্ত বলে দাবি তদন্তকারীদের।

Advertisement

ধৃত সুমাইয়াকে জেরা করে খাজা সাকলাইন ফারুকের তথ্য পান আধিকারিকরা। এরপর বাড্ডা লিংক রোড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে। ধৃতদের জেরা করে ইতিমধ্যে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বলে খবর।

তদন্তকারীরা জানতে পারেন, একটি চক্র ঢাকায় বসে নীলছবি তৈরি করত। এরপর তা ইনস্টাগ্রাম, টেলিগ্রাম-সহ বিভিন্ন সমাজমাধ্যমে ছবি-ভিডিও আপলোড করে বিজ্ঞাপন দেওয়া হতো। এরপর মোটা অঙ্কের টাকায় সেই সমস্ত নীলছবি ধৃত সুমাইদ এবং খাজা সাইলাইন ফারুক বিক্রি করতেন বলে জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। এমনকী আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রেও ধৃতরা চরম সতর্কতা নিতেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। বাংলাদেশ গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, নীলছবি বিক্রির পর টাকা দেওয়া নেওয়া চলত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের একটি টিম গত কয়েকদিন আগে ঢাকার ভাটারা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুমাইয়া সাইদকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতের কাছ থেকে একটি আইফোন, ১টি ওয়ানপ্লাস-সহ একাধিক স্মার্টফোন উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীদের। শুধু তাই নয়, ধৃত সুমাইয়াকে জেরা করে খাজা সাকলাইন ফারুকের তথ্য পান আধিকারিকরা। এরপর বাড্ডা লিংক রোড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে। ধৃতদের জেরা করে ইতিমধ্যে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বলে খবর। বিশেষ করে একাধিক সমাজমাধ্যমের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। যেখানে নীলছবির বিজ্ঞাপন দেওয়া থেকে শুরু করে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই চক্রের পিছনে সুমাইয়া কিংবা ফারুক ছাড়া আর কেউ যুক্ত রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement