সুকুমার সরকার, ঢাকা: সভ্যতার অগ্রগতির সঙ্গেই বাতাসে ক্রমে বাড়ছে বিষ। উষ্ণায়নের জেরে নষ্ট হচ্ছে ধরিত্রীর ভারসাম্য। এই গুরুতর বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাষ্ট্রসংঘে চিঠি দিয়েছিল বাংলাদেশের পড়ুয়া আরিয়ান আবির। এবার সেই চিঠির জবাব দিলেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
[আরও পড়ুন: ব়্যাব কর্মকর্তাদের উপর নিষেধাজ্ঞা তোলার আরজি, আমেরিকাকে চিঠি বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর]
রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবকে লেখা চিঠিতে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে চট্টগ্রাম নগরের রেলওয়ে সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্র আবির। এবার এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে সে। চিঠিতে জলবায়ু পরিবর্তনের কুফল, এর ফলে মানুষের বাস্তচ্যুত হওয়া এবং কার্বন নিঃসরণে রাষ্ট্রসংঘের ব্যর্থতার কথা তুলে ধরে আরিয়ান আবির। চিঠিতে ওই পড়ুয়া লেখে, “‘আপনিই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি আমি ও আমাদের সবুজ ভবিষ্যৎ উপহার দিতে পারেন। কিন্তু আপনি ক্রমাগত ব্যর্থ হয়েছেন। আপনি কি চান না, আমেরিকা, রাশিয়া, ভারত-সহ কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোকে ভয় পাক? যদি তা না হয়, তাহলে গত ১০ বছরে একটুও কেন উন্নতি হয়নি। কারণ, রাষ্ট্রসংঘ যথাযথ ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে।”
গত ১ ডিসেম্বর রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবের কাছে চিঠি দেয় আবির। গত ১৬ ডিসেম্বর সেই চিঠির জবাব দেন আন্তোনিও গুতেরেস। বলা হয়, তারা আরিয়ানের চিঠি পড়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়ে আগ্রহের জন্য তার প্রশংসা করেছে রাষ্ট্রসংঘ। এদিকে, আরিয়ানের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে মনে করছেন সকলে। জলবায়ু পরিবর্তন রুখতে আগামী প্রজন্ম এগিয়ে এলএ লড়াই অনেক সহজ হবে বলেই মত সকলের।
উল্লেখ্য, ছোটবেলা থেকেই জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি ভাবাত আরিয়ানকে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময়ই ‘আরিয়ান ক্লাইমেট ফান্ড’ নামের তহবিল গঠন করে সে। চিকিৎসক খান জাহান আলি ও গৃহিণী কাজী আফসানার ছেলে আরিয়ান ভবিষ্যতেও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে।
