ভাঙনের মরশুমে আরও এক পুরসভা হাতছাড়া তৃণমূলের। এবার ভাঙল হুগলির চাঁপদানি পুর বোর্ড। পদত্যাগ করলেন চেয়ারম্যান-সহ ১৯ জন তৃণমূল কাউন্সিলর। ওই পুরসভার ২২ টি আসনের মধ্যে ২১ টিই ছিল তৃণমূলের। সূত্রের খবর, ২ কাউন্সিলর এলাকায় না থাকায় এদিন তাঁরা পদত্যাপ পত্র জমা দেননি।
রাজ্যে পালাবদলের পরই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে তৃণমূল। পরিষদীয় দলের রাশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতছাড়া হয়েছে। লোকসভার ২৮ জন সাংসদের মধ্যে ২০ জনই তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে। এনডিএকে সমর্থন করতে তাঁরা এনসিপিআই নামে একটি অচেনা দলের সঙ্গী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তৃণমূলের প্রতীক, অ্যাকাউন্ট আদৌ মমতার হাতে থাকবে কি না, সেটাই এখন লাখটাকার প্রশ্ন। তৃণমূলে ভাঙন শুরু হতেই কলকাতা পুরসভা-সহ রাজ্যের একাধিক পুর বোর্ড ভেঙে গিয়েছে। এবার সেই তালিকায় জুড়ল চাঁপদানি পুরসভা। ওই পুরসভার মোট আসন ছিল ২২ টি। ২১ টি আসনে জিতেছিল তৃণমূল। ১ জন কংগ্রেস কাউন্সিলর ছিলেন। আজ, শুক্রবার পুরসভার চেয়ারম্যান সুরেশ মিশ্র, ভাইস চেয়ারম্যান-সহ ১৯ কাউন্সিলর পদত্যাপ পত্র জমা দেন।
জানা যাচ্ছে, ১২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তারক সিং ও ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সেলিম কুরেশি এলাকায় না থাকায় এদিন পদত্যাগ পত্র জমা দিতে পারেননি। ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস কাউন্সিলর দারোগা রাজভর জানিয়েছেন, দলের নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি। তবে অধিকাংশ কাউন্সিলর পদত্যাগ করায় ভাঙল পুরো বোর্ড। উল্লেখ্য, রাজ্যে পালাবদলের পর হুগলি জেলার চন্দননগর কর্পোরেশনে প্রথম এই ছবি দেখা যায়। এরপর চুঁচুড়া, বাঁশবেড়িয়া, ভদ্রেশ্বর, ডানকুনি, তারকেশ্বরেও মেয়াদ শেষের আগেই ভেঙে যায় পুরো বোর্ড। সেই তালিকার নয়া সংযোজন চাঁপদানি।
