নিজস্ব সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: এক তরুণীকে অপহরণ করে গণধর্ষণ ও খুনের চেষ্টার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়াল পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতায়। জখম তরুণীর বাড়ি গড়বেতার পানিকোটর গ্রামে। মঙ্গলবার রাতে এমএসসি পাঠরতা ওই তরুণীকে গুরুতর জখম অবস্থায় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় গড়বেতা থানার পুলিশ তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। গড়বেতা থানার ওসি হীরক বিশ্বাস জানিয়েছেন, ধৃত তিন অভিযুক্ত পুলিশি জেরায় গণধর্ষণ করে মেয়েটিকে খুন করার চেষ্টার কথা স্বীকার করে নিয়েছে। তিন জনের বিরুদ্ধেই অপহরণ, ধর্ষণ ও খুনের চেষ্টার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করছে পুলিশ। আজই ধৃতদের আদালতে তোলা হবে।
[এগিয়ে আসছে কবরখানা, অশরীরী আতঙ্কে স্কুলমুখো হচ্ছে না পড়ুয়ারা]
মেয়েটির পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই তরুণী একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করত। সেখানেই ওই তিন যুবকের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। মেয়েটির বাবার অভিযোগ, মঙ্গলবার অভিযুক্ত তিন যুবক মেয়েটিকে একটি মারুতি ভ্যানে করে পশ্চিম মেদিনীপুরের পিকনিক স্পট বলে পরিচিত গনগনিতে তুলে নিয়ে যায়। অভিযোগ, মেয়েটিকে সেখানেই তিন অভিযুক্ত গণধর্ষণ করে। তরুণী অভিযুক্তদের বাধা দিতে গেলে তাঁকে খাদে ঠেলে ফেলে দিয়ে খুনের চেষ্টা করে অভিযুক্তরা। খাদে পড়ে গিয়ে মেয়েটির পা ভেঙে যায়। সেইসঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে গাড়ি নিয়ে চম্পট দেয় তিন যুবক। এরপর স্থানীয় বাসিন্দারা মেয়েটিকে উদ্ধার করে গুরুতর জখম অবস্থায় প্রথমে গড়বেতা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করে দেন।
[সরকারের কর্মসূচি ধর্ম নিয়ে হতে পারে না, বিজেপিকে তোপ মমতার]
পরে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মেয়েটিকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই তরুণীর দাদা গড়বেতা থানায় তিন যুবকের নামে অপহরণ করে গণধর্ষণ ও খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেছেন। মঙ্গলবার রাতে গড়বেতা থেকেই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে সুশোভন দাস চণ্ডীপুরের বাসিন্দা। আরেক অভিযুক্ত সৌমিত্র ঘোষ উত্তর ২৪ পরগনার বরানগরের বাসিন্দা। এরা দুই বন্ধু। চন্দ্রকোনা রোডের বাসিন্দা সঞ্জিত গুপ্ত আরেক অভিযুক্ত। পুলিশ জানিয়েছে, সঞ্জিতের মারুতি ভ্যান করেই বাকি দু’জন ওই তরুণীকে এলাকা থেকে অপহরণ করে। মারুতি গাড়িটিকেও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।
[সস্তায় ২০ হাজারে বাইক কিনেছেন? ঠিকানা হতে পারে শ্রীঘর]
The post তরুণীকে গণধর্ষণ করে খুনের চেষ্টা, গড়বেতায় ধৃত ৩ appeared first on Sangbad Pratidin.
