চলতি সপ্তাহেই পাক চর রানা রউফকে গ্রেপ্তার করেছিল বেঙ্গল এসটিএফ। স্বাধীনতা দিবসের দিন এবার পাক চর সন্দেহে আরও তিনজনকে পাকড়াও করলেন তদন্তকারীরা। উত্তরবঙ্গের কোচবিহার থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে প্রাথমিক খবর। ধৃতদের নাম রশিদুল হক, নুর নাসিরুদ্দিন আলি, সফিকুল ইসলাম। এই তিনজনকে জেলার সাহেবগঞ্জ থেকে পাকড়াও করা হয়েছে। ধৃতদের জেরা করে আরও তথ্য পেতে চাইছেন তদন্তকারীরা। স্বাধীনতা দিবসে বাংলাকে রক্তাক্ত করার ছক! সেই বিষয়ও উসকে যাচ্ছে।
গত মাসে দক্ষিণবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান জেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল জঙ্গি হামিম মণ্ডল। হাওড়ার পিলখানা এলাকায় বাড়িভাড়া করে থাকত এই যুবক। চলতি সপ্তাহেই ফের সাফল্য মেলে বেঙ্গল এসটিএফের। উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয় আইএসআই এজেন্ট, পাক গুপ্তচর রানা রউফকে। জানা যায়, কলকাতার তপসিয়া এলাকায় রানা ভাড়া থাকত। শুধু তাই নয়, এদেশে থাকার জন্য নকল আধার-ভোটার কার্ডও তৈরি করা হয়েছিল। রানাকে সাহায্য করার অভিযোগে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন তদন্তকারীরা।
রানার গ্রেপ্তারির ৯৬ ঘণ্টার মধ্যেই ফের বড় সাফল্য পেল বেঙ্গল এসটিএফ। কোচবিহারের দিনহাটার সাহেবগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হল আরও ৩ পাক গুপ্তচরকে! স্বাধীনতা দিবসের দিন শনিবার তাদের পাকড়াও করার খবর সামনে এসেছে। ধৃতরাও গুপ্তচর হিসেবে কাজ করত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতরা ভারতীয় মোবাইল সিম কার্ড এখান থেকে তুলে বাংলাদেশে প্রথমে পাঠিয়ে দিত! সেই দেশ থেকে ওইসব সিমকার্ড পরে পাকিস্তানে চলে যেত বলে অভিযোগ। ধৃতরা জালনোট কারবারের সঙ্গেও যুক্ত বলে অভিযোগ।
ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন তদন্তকারীরা। পালাবদলের পরে বাংলাদেশে আইএসআই কার্যকলাপ বেড়েছে বলে অভিযোগ। তৃণমূল জমানায় সীমান্ত পেরিয়ে আইএসআই-সহ একাধিক জঙ্গি গোষ্ঠীর চর বাংলায় ঘাঁটি গেড়েছে বলে অভিযোগ। রাজ্যে পালাবদলের পর নজরদারি শুরু হয়েছে। বাংলার বুকে কত দূর শিকড় ছড়িয়েছে তারা? সেও প্রশ্নও উঠেছে।
