shono
Advertisement
SIR in West Bengal

SIR স্ক্রুটিনিতে নিজের ফর্মও ফেরত! এবার 'আতঙ্কে' মৃত্যু মালদহের বিএলওর

বিডিও'র দপ্তর থেকে বিএলওর কাছে ৪৪ জনের ফর্ম ফেরত পাঠানো হয়। মৃতের নিজের ফর্মটাও ফেরত আসে। ওই ৪৪ জন ভোটারের নথি ফের 'রি-চেক' করে পাঠাতে বলা হয়েছিল তাঁকে। সেই তালিকা পেয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন তিনি।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 01:31 PM Feb 19, 2026Updated: 02:06 PM Feb 19, 2026

এসআইআরের (SIR in West Bengal) ফর্ম জমা, হিয়ারিংয়ের কাজ শেষ। চলছে ঝাড়াই-বাছাই। এখন চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হওয়ার অপেক্ষায় সকলে। এই পরিস্থিতিতে মালদহে (Malda) মৃত্যু হল এক বিএলও'র (BLO)। পরিবারের দাবি, কাজের চাপ সামলাতে না পেরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন তিনি। সেই কারণেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। ইতিমধ্যেই তাঁর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।

Advertisement

জানা গিয়েছে, মৃতের নাম আনিকুল ইসলাম। তাঁর বয়স ৫৪ বছর। মালদহের (Malda) কালিয়াচক-১ নম্বর ব্লকের সুজাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বিশ্বাসপাড়া ১৪৪ নম্বর বুথের বিএলও'র দায়িত্বে ছিলেন তিনি। শিক্ষকতা করতেন কালিয়াচক হাই স্কুলে। আনিকুলের আদি বাড়ি মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে। দীর্ঘ প্রায় পঁচিশ বছর ধরে কর্মসূত্রে তিনি কালিয়াচকের সুজাপুর অঞ্চলের বিশ্বাসপাড়ায় থাকতেন। পরিবারের দাবি, এসআইআরের কাজের চাপেই আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে তিনি মারা গিয়েছেন। এই মৃত্যুর জন্য দায়ী নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। জানা গিয়েছে, বিডিও'র দপ্তর থেকে তাঁর কাছে ৪৪ জনের ফর্ম ফেরত পাঠানো হয়। তাঁর নিজের নামের ফর্মটাও ফেরত আসে। ওই ৪৪ জন ভোটারের নথি ফের 'রি-চেক' করে পাঠাতে বলা হয়েছিল তাঁকে। সেই তালিকা পেয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন তিনি। বুধবার বিকেলে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে তিনি কালিয়াচক-১ নম্বর ব্লকের বিডিও'র দপ্তরেও যান। কিন্তু আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে কোনও সুরাহা করতে পারেননি।

পরিবারের দাবি, সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে অসুস্থ বোধ করেন আনিকুল। তারপর একটি নার্সিংহোমে গিয়ে চিকিৎসা করে বাড়ি ফিরে আসেন। রাতে বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। তাঁকে সুজাপুর এলাকার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করানো হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ন'টা নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে আসে মৃত শিক্ষকের পরিবারে। মালদহে কালিয়াচকের সুজাপুর বিধানসভা এলাকায় বিএলও'র মৃত্যুর এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ফের সোচ্চার হয়েছে মালদহের জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। মালদহ জেলা তৃণমূলের মুখপাত্র আশিস কুণ্ডু বলেন, "এই মৃত্যুর জন্য দায়ী নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপি। বিএলও'দের মৃত্যু হচ্ছে। ভোটাররা আতঙ্কে মারা যাচ্ছেন। তৃণমূলের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।" বিজেপির মালদহ দক্ষিণের জেলা সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, "খোঁজ নিয়ে দেখুন, তৃণমূলের লোকজন আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। এই ধরনের মৃত্যুর জন্য কেউ যদি দায়ী হয়, তাহলে অবশ্যই তৃণমূলের নেতাকর্মীরা দায়ী।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement