shono
Advertisement

Breaking News

Galsi

রাতে 'ভালো আছি', সকালে দুঃখের স্ট্যাটাস দিয়ে চরম সিদ্ধান্ত বাংলার 'বালিকা বধূ'র

নাবালিকা বধূর মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।
Published By: Sayani SenPosted: 12:41 PM Aug 22, 2026Updated: 12:42 PM Aug 22, 2026

পরিবার সম্পর্ক মানেনি। বাড়ির অমতে মনের মানুষকে বিয়ে করেছিলেন। মাত্র ৭-৮ মাসেই সব শেষ। বৃহস্পতিবার সকালে গলসির খেতুড়া গ্রামে মামাশ্বশুর বাড়ি থেকে উদ্ধার নাবালিকার দেহ। ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাকে। নাবালিকা বধূর বাপের বাড়ির দাবি, স্বামী এবং শাশুড়ির ষড়যন্ত্রেই মৃত্যু হয়েছে তার।

Advertisement

নিহত নাবালিকা বধূ প্রিয়া। সে গলসির পোতনা গ্রামের বাসিন্দা। বেশ কয়েক বছর ধরে গলসির জাগুলিপাড়ার বাসিন্দা শুভ বাউরির সঙ্গে প্রিয়ার বিয়ে হয়। চলতি সপ্তাহে স্বামীর সঙ্গে গলসির খেতুড়া গ্রামে মামাশ্বশুরের বাড়িতে বেড়াতে যান নাবালিকা। মৃতার মা সুমিতা বাউড়ির দাবি, অন্য এক ব্যক্তির কাছ থেকে মেয়ের মৃত্যুর খবর পান। শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়। তবে প্রত্যেকের কথায় অসংগতি ছিল বলেই দাবি মৃতার মায়ের।

জানা গিয়েছে, দেহ উদ্ধারের আগের রাতে নিহতের এক আত্মীয়ের সঙ্গে কথা হয় নাবালিকার। তখন নাকি বলেছিল ভালো রয়েছে সে। দেহ উদ্ধারের দিন তার হোয়াটসঅ্যাপে দুঃখের স্ট্যাটাস দেয়। তার কিছুক্ষণের মধ্যে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। প্রিয়ার দেহ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। এই ঘটনায় গলসি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মৃতার বাবা নির্মল বাউড়ি। শুক্রবার ময়নাতদন্তের পর প্রিয়ার দেহ পোতনা গ্রামে বাপের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই শেষকৃত্য হয় তার। এই ঘটনায় প্রিয়ার স্বামী শুভ বাউড়িকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নাবালিকার মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারই মৃত্যুর মূল কারণ বলেই অভিযোগ প্রিয়ার বাপের বাড়ির লোকজনের। যদিও শ্বশুরবাড়ির লোকজন সে অভিযোগ অস্বীকার করেছে। পুলিশ এই ঘটনার নেপথ্য কারণ খতিয়ে দেখছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement