shono
Advertisement
Malda

SIR আবহে মালদহে উদ্ধার গুচ্ছ গুচ্ছ আধার,প্যান! সরকারি আধিকারিকের ভূমিকায় প্রশ্ন

এই বিষয়ে সুশীল টুডুকে স্থানীয়রা জিজ্ঞাসাবাদ করতেই সামনে আসে আসল তথ্য।
Published By: Kousik SinhaPosted: 05:03 PM Mar 10, 2026Updated: 05:04 PM Mar 10, 2026

এসআইআর নিয়ে আতঙ্কের মধ্যেই ফের উদ্ধার গুচ্ছ গুচ্ছ আধার এবং প্যান কার্ড। মালদহের হবিবপুর ব্লকের, আকতৈল অঞ্চলের এক ব্যক্তির বাড়ির সামনে থেকে এই কার্ডগুলি উদ্ধার হয়। শুধু তাই নয়, উদ্ধার হয়েছে পোস্ট অফিসের একাধিক নথিও। যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। কীভাবে ওই বাড়ির সামনে এতগুলি আধার এবং প্যান কার্ড এল তা ইতিমধ্যে খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে এই ঘটনায় বিনোদপুর পোস্ট অফিসের প্রাক্তন পোস্টমাস্টারের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ সামনে আসছে। জানা গিয়েছে, বাড়ি বাড়ি আধার এবং প্যান কার্ড-সহ গুরুত্বপূর্ণ নথি পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব থাকলেও তা করেননি ওই পোস্টমাস্টার। উলটে এক অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করেছিলেন। ওই ব্যক্তির বাড়ির সামনে থেকেই এদিন এই নথিগুলি উদ্ধার হয়। পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Advertisement

জানা গিয়েছে, হবিবপুর ব্লকের আকতৈল অঞ্চলের বিনোদপুর গ্রামের চিল্লাহার এলাকার বাসিন্দা সুশীল টুডু। তাঁর বাড়ির সামনেই স্থানীয়রা দুটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন। কৌতূহলবশত সেই বস্তা খুলতেই একেবারে অবাক কাণ্ড! স্থানীয়রা দেখেন, বস্তা দুটির মধ্যে অসংখ্য আধার, প্যান কার্ড-সহ একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ নথি পড়ে রয়েছে। এই বিষয়ে সুশীল টুডুকে স্থানীয়রা জিজ্ঞাসাবাদ করতেই সামনে আসে আসল তথ্য। জানা যায়, সুশীল টুডু মাত্র ৫০০০ হাজার বেতনে স্থানীয় বিনোদপুর পোস্টমাস্টারের অধীনে কাজ করতেন। সুশীল জানান, বিনোদপুর পোস্ট অফিসে আগের যিনি পিওন ছিলেন তিনি তাঁকে দিয়ে অস্থায়ীভাবে কাজ করাতেন। সেই সূত্রে কিছু আধারকার্ড, প্যানকার্ড তার কাছে রেখেছিলেন। ধীরে ধীরে তা বিলি করার কথাও জানিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি না আসার কারণে সেই সমস্ত আধারকার্ড, প্যানকার্ড তিনি পোস্ট অফিসে জমা করার জন্য বাড়ির সামনে রেখেছিলেন। তা নিয়েই যাবতীয় বিতর্ক বলে দাবি ওই কর্মীর।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত বিনোদপুর পোস্ট অফিসে পিওনের দায়িত্বে ছিলেন হরেশচন্দ্র রায়। বর্তমানে তিনি খড়িবাড়ি পোস্ট অফিসের পিওন হিসাবে কর্মরত। হরেশচন্দ্র রায় জানান, তাঁকে সাহায্য করার জন্য ওই ব্যক্তিকে কাজে রেখেছিলেন। সেই মতো আধার, প্যান-সহ বিভিন্ন নথি বিলি করার জন্য দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা বিলি করে যে সুশীল বাড়িতে রেখেছিলেন তা জানতেন না বলেই জানিয়েছেন হরেশবাবু। এদিকে এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হবিবপুরের বিধায়ক জোয়েল মুর্মু। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ মানুষের গুরুত্বপূর্ণ নথি পোস্ট অফিস থেকেই তো বিলি করার কথা। কিন্তু তা না করে কেউ যদি বাড়িতে রেখে দেয় তা ঠিক নয় বলেই জানিয়েছেন বিধায়ক।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement