মাসির ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য মুম্বইয়ের হাসপাতালে থাকায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফর্ম পূরণই করতে পারেননি আফ্রিদা। কিন্তু থামতে চান না তিনি। বছর নষ্ট করতেও রাজি নয়। কিন্তু কীভাবে পরীক্ষা দেবেন। মরিয়া হয়ে পরীক্ষা শুরুর দু'দিন আগেই এক তৃণমূল নেতার মাধ্যমে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে কিছু ব্যবস্থা করার আবেদন জানান। তারপরই সাংসদের উদ্যোগে ও উচ্চ মাধ্যমিক কাউন্সিলের তৎপরতায় শেষ পর্যন্ত পরীক্ষায় বসতে পারছেন ওই ছাত্রী।
ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার নেতড়া গ্রামের বাসিন্দা আফ্রিদা খাতুন। বাবা নুরুল হুদা মণ্ডল মারা গিয়েছেন। আফ্রিদা নেতড়া হাইস্কুল থেকে এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছেন। তাঁর পরীক্ষাকেন্দ্র ডায়মন্ডহারবার গার্লস স্কুল। এ বছর আফ্রিদা পরীক্ষায় বসতে পারবেন কি না, তা নিয়ে যথেষ্টই সংশয় ছিল তাঁর পরিবারের ও স্কুলের শিক্ষকদের। কারণ নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষার ফর্ম পূরণ করতে পারেননি ওই ছাত্রী।
কারণ সেই সময় ক্যানসার আক্রান্ত মাসি কাশ্মীরা বিবিকে নিয়ে আফ্রিদা মুম্বইয়ের হাসপাতালে পড়েছিলেন। মঙ্গলবার বাড়িতে ফিরেই ওই ছাত্রী পরীক্ষা দিতে চেয়ে যোগাযোগ করেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে। ডায়মন্ডহারবার বিধানসভার পর্যবেক্ষক শামিম আহমেদ তৎক্ষণাৎ সাংসদকে জানান। তড়িঘড়ি উদ্যোগ নেন সাংসদ অভিষেক ও উচ্চ মাধ্যমিক কাউন্সিলের সহযোগিতায় ওই ছাত্রী পরীক্ষায় বসার অনুমতি পান।
