নাবালিকা ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত বারুইপুর। গণপিটুনিতে মৃত্যু হল এক অভিযুক্তের। এই ঘটনায় নির্যাতিতা নাবালিকার বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার পরিবারের সদস্যদের ভবানীভবনে যেতে বলেছেন তিনি। পরিবারের সব দাবি শোনা হবে বলে আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।
রবিবার সকালে পুকুর থেকে এক নাবালিকার দেহ উদ্ধারের পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। কুলপি রোডে মৃতদেহ রেখে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন জনতা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়। অভিযোগ, এক অভিযুক্তকে ধরে গণপিটুনি দেয় স্থানীয়রা। মারধরের জেরে মৃত্যু হয় তাঁর। সূর্যপুর পুলিশ ক্যাম্পে হামলা চালানো হয়। আক্রান্ত হয় পুলিশও। এই ঘটনার প্রতিবাদে শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় নামখানা লাইনে ট্রেন অবরোধ করেন উত্তেজিত জনতা। নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ফোনে কথা হওয়ার পর অবরোধ উঠে যায়। প্রায় ঘণ্টাখানেক অবরোধ চলে।
মৃতের নাম ইন্দ্রজিৎ তাঁতি (২৬)। তিনি বারুইপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। রবিবার সকালে তাঁকে ধরে গণপিটুনি দেয় স্থানীয়রা। তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, নাবালিকা মৃত্যুর ঘটনায় ৪-৫ জন জড়িত। তাঁদের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করে বারুইপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদিকে অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে রাস্তায় মৃতদেহ রেখে বিক্ষোভে শামিল হন উত্তেজিত জনতা। অবরোধে তুলতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালান বিক্ষোভকারীরা।
