shono
Advertisement

ঝাড়খণ্ডে বেআইনি অস্ত্র কারখানার খোঁজ, পুরুষের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে মহিলা মিস্ত্রিরাও

উপনির্বাচনের আগে ওই অস্ত্র আসানসোল বা কলকাতার দিকে আসত কি না, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।
Posted: 02:48 PM Apr 04, 2022Updated: 02:49 PM Apr 04, 2022

স্টাফ রিপোর্টার: আসানসোলে উপনির্বাচনের (Asansol By Election) আগেই ঝাড়খণ্ডে হদিশ মিলল বেআইনি অস্ত্রের কারখানার। উপনির্বাচনের আগে ওই অস্ত্র আসানসোল বা কলকাতার দিকে আসত কি না, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, পুরুষের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেআইনি অস্ত্র তৈরির কাজে নেমেছে মুঙ্গেরের মহিলা ‘মিস্ত্রি’ও।

Advertisement

ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand)  দুমকার বেআইনি অস্ত্র কারখানা থেকে কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সের (STF) হাতে যে ৬ জন গ্রেপ্তার হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছে এক মহিলাও। ওই মহিলার নাম রিয়া দেবী। তার বাড়ি বিহারের মুঙ্গেরেই। সে ছাড়াও গোয়েন্দাদের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে মহম্মদ সোনু সাহুদ, বিট্টু কুমার, মহম্মদ মিরাজ আলম, মহম্মদ তারবেজ ও মহম্মদ মুজাহিদিন। তারাও প্রত্যেকে মুঙ্গেরের বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, মুঙ্গের থেকে মহিলা-সহ এই ‘মিস্ত্রি’দের ঝাড়খণ্ডের দুমকায় নিয়ে এসে তৈরি করা হচ্ছিল মারাত্মক ‘মুঙ্গেরি’ পিস্তল।

[আরও পড়ুন: মাধ্যমিকেও পুষ্পা রাজ! ‘আপুন লিখেগা নেহি,’ উত্তরপত্রে লিখল পরীক্ষার্থী, হতভম্ব শিক্ষক]

সামনেই আসানসোলে উপনির্বাচন। তার সঙ্গে উপনির্বাচন কলকাতার বালিগঞ্জেও। তার আগেই গোয়েন্দাদের কাছে খবর আসে যে, ঝাড়খণ্ডের দুমকায় বেআইনি অস্ত্র কারখানায় তৈরি হচ্ছে ৭.৬৫ এমএম পিস্তল। ফলে উপনির্বাচনের আগে ওই অস্ত্রগুলি কোথায় কোথায় সরবরাহ করা হত, তা নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তবে এসটিএফের গোয়েন্দারা নিশ্চিত হয়েছেন যে, ঝাড়খণ্ড থেকে বীরভূম হয়েই মূলত দক্ষিণবঙ্গে অস্ত্র ছড়াচ্ছিল অস্ত্র পাচারকারীদের চক্র।

ঝাড়খণ্ডের দুমকা জেলার মুফফাসিল থানা এলাকার দুধানি সারুয়া অঞ্চলের ওই বেআইনি কারখানায় গোয়েন্দারা হানা দেন। ভিতর থেকে উদ্ধার হয় ২৫টি ৭.৬৫ পিস্তল, প্রচুর অসমাপ্ত অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্রর কাঠামো। সেগুলিতে যন্ত্রাংশ বসানোর কাজ চলছিল। তার জন্য ৬টি লেদ মেশিন বসানো হয়। এছাড়াও ছিল মিলিং মেশিন, ড্রিলিং মেশিন। সেগুলি আটক করা হয়। ধৃতদের দুমকা থেকে সোমবার কলকাতায় নিয়ে আসা হচ্ছে।

সম্প্রতি ময়দান থেকে এসটিএফের হাতে গ্রেপ্তার হয় বীরভূমের বাসিন্দা রাজেন্দ্র প্রসাদ ওরফে মুকুল ওরফে মকবুল। তার কাছ থেকে দু’টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। ময়দানে বাস থেকে নেমে অস্ত্র পাচার করার আগেই ধরা পড়ে সে। তাকে জেরা করে জানা যায় যে, এই অস্ত্র তৈরি হচ্ছে ঝাড়খণ্ডে। সেই সূত্র ধরে পুলিশ ওই অস্ত্র কারখানার হদিশ পায়।

[আরও পড়ুন: হনুমানকে রোজ খাবার দিতেন বৃদ্ধা, অসুস্থ হওয়ার পর মানুষের মতোই সেবা করছে না-মানুষ!]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement