shono
Advertisement
Bankura

মুখ্যমন্ত্রীর অভয়বাণীই সার! ইন্দাসে আক্রান্ত সিপিএম, কাঠগড়ায় 'গেরুয়া গুন্ডাবাহিনী'

অভিযোগ, দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে এরিয়া কমিটির সম্পাদককে মারধরের অভিযোগ গুন্ডাবাহিনীর বিরুদ্ধে।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 08:00 PM Jul 04, 2026Updated: 08:12 PM Jul 04, 2026

রাজ্যে পালাবদলের পর দিকে দিকে রাজনৈতিক হিংসার ছবিটা দেখা গিয়েছিল অহরহ। বিশেষত তৃণমূল নেতাদের উপর বিজেপি হামলা চালাচ্ছে, এই অভিযোগ উঠেছিল। তা চরম আকার নেয় আক্রান্তদের উপর ধারাবাহিকভাবে জনতার ডিম ছোড়ার ঘটনায়। তা জনরোষ বলে দাবি করা হলেও নেপথ্যে বিজেপির ভূমিকা অস্বীকার করা যাচ্ছিল না। তাই শাসকদলের তরফে সতর্ক করা হয়েছিল, কোনও হিংসাত্মক কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকতে হবে, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেও এই বার্তা দিয়েছেন। কিন্তু সেই বার্তাই সার! বাঁকুড়ার ইন্দাসে সিপিএমের উপর হামলার ঘটনায় কাঠগড়ায় 'গেরুয়া গুন্ডাবাহিনী'। অভিযোগ, সিপিএমকে কর্মসূচিতে যেতে বাধা দিয়েছে বিজেপি কর্মীরা। প্রতিবাদে শনিবার ইন্দাসে মিছিল ও পথসভা করে জেলা নেতৃত্ব।

Advertisement

ঘটনা ঠিক কী ঘটেছে? জানা যাচ্ছে, সিপিএমের ইন্দাস এরিয়া কমিটির সম্পাদক সেলিম মণ্ডলের নেতৃত্বে শান্তাশ্রমের দলীয় সভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন কর্মীরা। এমন সময় তাঁদের উপর চলে হামলা। অভিযোগ, বিজেপির গুন্ডাবাহিনী তাঁদের ওই সভায় যেতে বাধা দেয়। হুমকি দেয়, ওখানে কোনও সভা করা যাবে না। এমনকী সেলিম মণ্ডলকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে শনিবার দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তথা বাঁকুড়া জেলা সম্পাদক দেবলীনা হেমব্রম, রাজ্য কমিটির সদস্য অভয় মুখোপাধ্যায়, অজিত পতি, অসীম দাস, ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়, কাকলী দত্ত, আবদুল রব-সহ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে বিশাল মিছিল হয় ইন্দাস বাজারে। মিছিল শেষে পথসভা করে বক্তব্য রাখেন দলের নেতারা।

রাজ্য কমিটির সদস্য অভয় মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘আমাদের এরিয়া কমিটির সম্পাদককে মারধর করে সভায় যেতে বাধা দেওয়া হয়েছে। ওরা বলেছে, ওখানে নাকি কোনও সভা করা যাবে না। আজ আমাদের এভাবে আটকাচ্ছে, আগেও তৃণমূল এভাবে আটকাত। আমরা বুঝতে পারছি, তৃণমূল আর বিজেপি একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ, কোনও তফাৎ নেই। এছাড়া আজকের বিজেপি সরকার যেভাবে জনবিরোধী নীতি চালাচ্ছে, তা যথেষ্ট নিন্দনীয়। এই পরিবর্তন আমরা চাইনি। এটা পরিবর্তনের নামে সর্বনাশ।'' সেইসঙ্গে এই প্রশ্নও তুলেছেন, গুন্ডাদমন আইন পাশ কি তবে সাধারণ মানুষের কণ্ঠরোধের হাতিয়ার হয়ে উঠছে? যদিও সিপিএমের এসব অভিযোগ নিয়ে মুখ খোলেননি বিজেপির কোনও নেতা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement