shono
Advertisement
CM Suvendu Adhikari

হাতেনাতে গ্রেপ্তার ব্যাঁটরা থানার এসআই, 'খপ করে ধরেছি', 'ঘুষখোর'দের কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

সোমবার পুরুলিয়ার মানবাজার থেকে 'ঘুষখোর'দের কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, শুধু সাসপেন্ড নয়, দুর্নীতিগ্রস্তদের জেলে ঢোকানো হবে।
Published By: Jaba SenPosted: 08:15 PM Aug 17, 2026Updated: 08:15 PM Aug 17, 2026

পালাবদলের পর রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখাকে আরও শক্তিশালী করেছে নতুন সরকার। ফলে একের পর এক ধরা পড়ছেন দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারি আধিকারিকরা। ঝাড়গ্রামের পর এবার হাওড়া থেকে ধরা পড়লেন এক সরকারি আধিকারিক। সোমবার ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে রাজ্য পুলিশের এক সাব ইন্সপেক্টরকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে দুর্নীতি দমন শাখা। ধৃত ব্যক্তি হলেন হাওড়ার ব্যাঁটরা থানার এসআই সুব্রত সরকার। জানা গিয়েছে, সুব্রত ১৫ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন। সেই টাকা উদ্ধার হয়েছে। সোমবার পুরুলিয়ার মানবাজার থেকে 'ঘুষখোর'দের কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, "খপ করে ধরেছি, আর জেলে ঢুকিয়ে দিয়েছি।" তিনি জানান, শুধু সাসপেন্ড করে খান্ত থাকবে না রাজ্য। ঘুষ নিলে জেলে ঢোকানো হবে বলে কড়া বার্তা দেন তিনি।

Advertisement

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ১ আগস্ট ব্যাঁটরা থানায় শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে পণের দাবিতে অত্যাচারের অভিযোগ নিয়ে এসেছিলেন এক মহিলা। সেই মামলার তদন্তভার যায় সুব্রত সরকারের কাছে। অভিযোগ, সুব্রত অভিযোগকারী মহিলার কাছ থেকে ঘুষ চান। এরপরই ঘটনার কথা রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখাকে জানান ওই মহিলা। সেই মতো অভিযুক্ত এসআইকে ধরতে পাতা হয় ফাঁদ। জানা যায়, অভিযুক্ত পুলিশ ইন্সপেক্টরকে হাতেনাতে ধরতে এদিন ব্যাঁটরা থানায় আসেন ওই মহিলা। অভিযুক্তকে ১৫ হাজার টাকা ঘুষও দেন তিনি। সেই সময় ফাঁদ পেতে ছিলেন দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা। মহিলা থানা থেকে বের হতেই উপস্থিত হন এসিবি-র আধিকারিকরা। এরপর সুব্রতর হাত ডোবাইতেই জলের রং গোলাপি হয়ে যায়। এর জেরে তাঁকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখা।

সম্প্রতি জামবনিতে রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখার জালে ধরা পড়ে গিধনি বিডিও অফিসের সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার বিমল সাহা। গিধনিতে একটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র তৈরির বরাদ পেয়েছিলেন এলাকার ঠিকাদার পিন্টু মল্লিক। সেই কাজের টাকার বিল চাইতে গিয়েছিলেন বিমল সাহার কাছে। তখন পিন্টুর কাছে তিনি ২ লক্ষ টাকা ঘুষ চান। এরপর পিন্টু বিষয়টি দুর্নীতি দমন শাখার টোল ফ্রি নম্বরে জানান। সেই টাকা বিমলকে দিতে আসেন পিন্টু। জানা গিয়েছে, সেই সময় সেখানে আগে থেকে ফাঁদ পেতে ছিলেন এসিবির লোকজনেরা। টাকা নেওয়ার সময়ই হাতেনাতে ধরা পড়েন বিমল সাহা। এই ঘটনার কথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী পুরুলিয়া থেকে বলেন, "খপ করে ধরেছি, আর জেলে ঢুকিয়ে দিয়েছি।" এছাড়াও মোটরভেহিক্যালের দু'জন 'ঘুষখোর' ইন্সপেক্টরের কথাও উল্লেখ করেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, "শুধু সাসপেন্ড করলেই মুখ্যমন্ত্রী সন্তুষ্ট নয়। জেলে ঢুকিয়েছি। করতে দেব না। অনেক আশা স্বপ্ন নিয়ে আপনারা আমাদের জিতিয়েছেন।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement