রাজ্যে নারী নিরাপত্তার কথা প্রচার করে বঙ্গ বিজেপি। এদিকে স্ত্রীকে মারধর করে খুনের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার খোদ বিজেপি নেতা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁয় (Bangaon)। ধৃতের নাম জয় হালদার। তিনি ওই এলাকার বিজেপির মণ্ডল সভাপতি। ভোটের আগে এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক শোরগোল ছড়িয়ে পড়েছে। তৃণমূল কটাক্ষ করেছে বিজেপিকে।
জয় হালদার নামে ওই বিজেপি নেতার বাড়ি গোপালনগর থানার হালদার পাড়ায়। তিনি বনগাঁ উত্তরের মণ্ডল ২-এর সভাপতি পদে আছেন৷ পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই বিজেপি নেতার স্ত্রী গোপালনগর থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ, ব্যাপক মারধর করে তাঁকে খুনের চেষ্টা করা হয়েছিল। কোনওরকমে তিনি রক্ষা পেয়েছিলেন। অভিযোগ পেয়ে গতকাল, সোমবার রাতে বাড়ির এলাকা থেকে জয় হালদারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আজ, মঙ্গলবার ধৃতকে বনগাঁ মহকুমা আদালতে তোলা হয়। ধৃতের স্ত্রী বলেন, "আমাকে অত্যাচার করেছিল। অভিযোগ করেছিলাম, পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পারিবারিক বিষয়। এ বিষয়ে কিছু বলতে চাইছি না।" তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ধৃত বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, "সামান্য পারিবারিক বিভাগ৷ সব স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেই গণ্ডগোল হয়। আমারও বাড়িতে ঝামেলা হয়েছিল। স্ত্রী অভিযোগ করায় তৃণমূলের 'দলদাস' পুলিশ আমি বিজেপি করে বলে গ্রেপ্তার করল৷" এ বিষয়ে বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিকাশ ঘোষ বলেন, "মণ্ডল সভাপতির স্ত্রীকে তৃণমূলের লোকজন রাগের মুহূর্তে ভুলভাল বুঝিয়ে ভয় দেখিয়ে অভিযোগ করিয়েছিল। তৃণমূলের পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এখন ওনার স্ত্রী বুঝতে পেরেছেন। অভিযোগ তুলে নিচ্ছেন।"
বিজেপি নেতা গ্রেপ্তারের বিষয়ে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল-সহ সভাপতি প্রসেনজিৎ ঘোষ বলেন, "ওরা মহিলাদের সম্মান দিতে জানে না। ওরা নিজের ঘরে স্ত্রীকে মারধর করে। এটাই ওদের কালচার। ওরা জনগণের জন্য কী করবে।"
