shono
Advertisement
BJP

সতর্ক করেছিলেন শমীক, শীতলকুচিতে বিজেপির 'গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে' দলের নেতাকেই 'ডিম থেরাপি'

তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন দলের নেতারা! এই অভিযোগ তুলে শীতলকুচির ছোটশালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বিজেপির দুই গোষ্ঠীর মধ্যে প্রবল গণ্ডগোল দেখা গেল!
Published By: Suhrid DasPosted: 06:23 PM Aug 03, 2026Updated: 07:26 PM Aug 03, 2026

তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন দলের নেতারা! এই অভিযোগ তুলে শীতলকুচির ছোটশালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বিজেপির দুই গোষ্ঠীর মধ্যে প্রবল গণ্ডগোল দেখা গেল! দলের কর্মীদের একাংশই স্থানীয় বিজেপি মণ্ডল সভাপতিকে লক্ষ করে ছুড়ল ডিম! ঘটনা ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক শোরগোল ছড়িয়ে পড়েছে কোচবিহার শীতলকুচি এলাকায়। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দলের এক অংশকে 'ডিমথেরাপি' নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তৃণমূলের থেকে বিজেপিতে 'অভিমুখ বদল' হতে বেশি সময় লাগবে না। সেই কথা বলেছিলেন শমীক। সোমবার সেই ঘটনাই দেখা গেল শীতলকুচিতে।

Advertisement

কিন্তু ঘটনাটি কী? পালাবদলের পরে দুর্নীতি-তোলাবাজি ইস্যুতে তৃণমূল নেতাদের লক্ষ্য করে ডিম ছোঁড়া চলছে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে। বহু পঞ্চায়েত প্রধান, সদস্যরা কাজে যোগ না দেওয়ায় পঞ্চায়েতে কাজ বন্ধ হয়ে রয়েছে বলে অভিযোগ। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি পবিত্র অধিকারী তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান-সহ অন্যান্যদের পঞ্চায়েতে ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হয়েছিলেন। দলের স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, টাকা নিয়ে ওই নেতা তৃণমূলের সঙ্গে 'সেটিং' করছেন। টাকা দিয়ে কাজ পাইয়ে দেওয়া হবে!

পঞ্চায়েত অফিসের সামনে তুলকালাম। নিজস্ব চিত্র

বিগত সরকারের শাসনে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব হিংসা ছড়াতেন, বিজেপি কর্মীদের মারধর করতেন বলে অভিযোগ। এখন ওইসব তৃণমূল নেতাদের কিছুতেই পঞ্চায়েতে জায়গা হবে না বলে বিজেপির তরফে অভিযোগ তোলা হয়। আজ, সোমবার সেই বিষয় নিয়ে বিজেপির দুই গোষ্ঠীর মধ্যে চরম বিবাদ দেখে। বিজেপির স্থানীয় মণ্ডল সভাপতি পবিত্র অধিকারীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন দলেরই একাংশ। তাঁকে লক্ষ্য করে ডিমও ছোড়া হয়। কিছু সময় পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিজেপি নেতাকে দলেরই কর্মীদের একাংশের ডিম ছোড়া নিয়ে বেশ শোরগোল ছড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

ঘটনা প্রসঙ্গে শীতলকুচির বিজেপি বিধায়ক সাবিত্রী বর্মন বলেন, "এখানে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কোনও বিষয় নেই। ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রধান-সহ পঞ্চায়েত সদস্যরা না আসায় পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে। সাধারণ মানুষকে যাতে পরিষেবা দেওয়া যায় তার জন্য স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব বৈঠক করেছিলেন এবং সেই গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যদের ডাকা হয়েছিল। তবে তৃণমূলের সেই পঞ্চায়েত সদস্যদের প্রতি সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ রয়েছে। সেই ক্ষোভ স্থানীয় বিজেপি নেতাদের ওপর তারা ব্যক্ত করেছেন। তবে তৃণমূল নেতাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement