shono
Advertisement

বিধায়ক উন্নয়ন তহবিলের টাকা খরচে পিছিয়ে দিলীপ ঘোষ, ‘ফার্স্ট বয়’ বিক্রম

কতটা কাজ করলেন খড়গপুর সদরের বিধায়ক? The post বিধায়ক উন্নয়ন তহবিলের টাকা খরচে পিছিয়ে দিলীপ ঘোষ, ‘ফার্স্ট বয়’ বিক্রম appeared first on Sangbad Pratidin.
Posted: 04:47 PM Nov 14, 2017Updated: 02:34 PM Sep 24, 2019

সম্যক খান, মেদিনীপুর: তিনি রাজ্যে পরিবর্তনের কথা বলছেন। উন্নয়ন নিয়ে রাজ্য সরকারের নিয়মিত সমালোচনা করছেন। কিন্তু দিলীপ ঘোষ বিধায়ক হিসাবে কতটা কাজ করলেন? বিধায়ক হিসাবে তিনি দেড় বছর রয়েছেন। পরিসংখ্যান বলছে এমএলএ ল্যাডের অর্থ অনেকটাই খরচ করতে পারেননি বিজেপি রাজ্য সভাপতি।

Advertisement

[কোন পথে জয়যাত্রা শুরু হল বাংলার রসগোল্লার?]

পশ্চিম মেদিনীপুরে এলাকা উন্নয়ন তহবিলের খরচে সব থেকে এগিয়ে দাঁতনের তৃণমূল বিধায়ক বিক্রম প্রধান। দু’বছরে তিনি পেয়েছিলেন ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। এর প্রায় পুরো টাকাটাই তিনি খরচ করেছেন। প্রথমবার বিধায়ক হয়েই তিনি তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। পারফরম্যান্স ভাল মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্রেরও। ১ কোটি ২০ লাখের মধ্যে তিনি এপর্যন্ত প্রায় ১ কোটি ১৮ লক্ষ টাকা খরচ করেছেন। বিধায়ক থাকাকালীন মানস ভুঁইয়াও দারুণ কাজ করেছিলেন। তিনিও বিধায়ক তহবিলের প্রায় পুরো টাকাটাই খরচ করে ফেলেন। তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে শাসকদলের বেশ কয়েকজন বিধায়ক। জেলায় এখন একজনই বিরোধী বিধায়ক। তিনি খড়গপুর সদর কেন্দ্রের জনপ্রতিনিধি দিলীপ ঘোষ। বিজেপির রাজ্য সভাপতি এই নিরিখে অনেকটা পিছিয়ে। তথ্য বলছে দিলীপবাবু তাঁর বিধানসভা এলাকার উন্নয়নের জন্য এপর্যন্ত ৯০ লক্ষ টাকা পেয়েছেন। কিন্তু খরচ করেছেন টেনেটুনে সাড়ে ৭৬ লক্ষ টাকা।

[ওড়িশাকে হারিয়ে রসগোল্লার অধিকার পেল বাংলা]

বিধায়কদের মধ্যে অধিকাংশই শিক্ষাক্ষেত্রে বেশি টাকা খরচ করছেন। ২০১৬—১৭ সালে বিধায়কদের তহবিল থেকে শিক্ষাক্ষেত্রেই খরচ হয়েছে প্রায় ২১ কোটি টাকা। শতাংশের হিসাবে যা  প্রায় সাড়ে ৩৬ শতাংশ। শিক্ষার পরই বিধায়করা গুরুত্ব দিয়েছেন রাস্তাঘাট ও সেতু সংস্কারে। এই ক্ষেত্রে ১৯.৩৫ শতাংশ অর্থ খরচ হয়েছে। তিন নম্বরে পানীয় জল। তবে বিধায়কদের কাছ থেকে বঞ্চিত থেকে গিয়েছে ক্রীড়া, স্যানিটেশন, গ্রামীণ আবাসন, ত্রাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলি। বিক্রম প্রধানের মতো বিধায়কদের পারফরম্যান্সে খুশি জেলা তৃণমূল সভাপতি অজিত মাইতি। বিধায়কদের কাজে মোটের উপর সন্তুষ্ট হলেও অজিত মাইতি তাঁদের আত্মতুষ্ট হতে বারণ করেছেন। যেসব বিধায়করা উন্নয়ন তহবিলের টাকা খরচে পিছিয়ে আছেন, তাঁদের দ্রুত প্রকল্প রিপোর্ট প্রশাসনের কাছে পেশ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। আর ‘ফার্স্ট বয়’ বিক্রম প্রধান বলছেন, “শুধু অর্থ মঞ্জুর করে আমি বসে থাকিনি। নিজে গিয়ে তদারকি করেছি।”

The post বিধায়ক উন্নয়ন তহবিলের টাকা খরচে পিছিয়ে দিলীপ ঘোষ, ‘ফার্স্ট বয়’ বিক্রম appeared first on Sangbad Pratidin.

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement
toolbarHome ই পেপার toolbarup মহানগর toolbarvideo শোনো toolbarshorts রোববার