shono
Advertisement
Raiganj

চুরির 'অপবাদে' বালককে হাত-পা বেঁধে মার, বস্তায় ভরে নদীতে ফেলার চেষ্টা!

চুরি করার অভিযোগ। 'চোর অপবাদ দিয়ে ১০ বছরের এক বালককে হাত-পা বেঁধে বেধড়ক মারধর! শুধু তাই নয়, 'শাস্তি' হিসেবে বস্তাবন্দি করে নদীতে ফেলার চেষ্টাও হয় বলে অভিযোগ। সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন মাও! হাড়হিম করা ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের খাড়ি সুরিয়াবাদ এলাকায়।
Published By: Suhrid DasPosted: 11:54 AM Jul 12, 2026Updated: 11:54 AM Jul 12, 2026

চুরি করার অভিযোগ। 'চোর অপবাদ দিয়ে ১০ বছরের এক বালককে হাত-পা বেঁধে বেধড়ক মারধর! শুধু তাই নয়, 'শাস্তি' হিসেবে বস্তাবন্দি করে নদীতে ফেলার চেষ্টাও হয় বলে অভিযোগ। সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন মাও! হাড়হিম করা ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের খাড়ি সুরিয়াবাদ এলাকায়। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তারপরই ঘটনার কথা সামনে এসেছে। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ায় এক কিশোরকে চিপস-এর প্যাকেট চুরির অভিযোগে মারধর-অপমান করা হয়েছিল! 'মা আমি চুরি করিনি', চিঠি লিখে 'আত্মহত্যা' করেছিল ওই বালক। সেই ঘটনা সামনে আসার পর জোর শোরগোল ছড়ায় গোটা রাজ্যজুড়ে।

Advertisement

এবার বালককে নিগ্রহের ঘটনা রায়গঞ্জে। চুরির অপবাদ দিয়ে এভাবে এক ১০ বছরের বাচ্চাকে নিগ্রহ করা হবে! মধ্যযুগীয় বর্বরতা চলবে? সেই প্রশ্ন উঠেছে। কেবল চুরির সন্দেহে হাত-পায়ে দড়ি বেঁধে বেধড়ক মারধর করা হল? ভিডিওতে মারধরের ঘটনার পাশাপাশি বালকের গোঙানির আওয়াজও শোনা গিয়েছে! শুধু তাই নয়, তাকে বস্তাবন্দি করে নদীতে ফেলার চেষ্টাও হয়েছিল! এই দৃশ্য ভিডিওতে ফুটে উঠতেই দৃশ্যত শিউরে উঠেন বাসিন্দারা। নৃশংস ঘটনায় অভিযোগের তির উঠেছে স্থানীয় সিরাজুল আলি, মাসুল আলি-সহ অন্তত সাতজনের বিরুদ্ধে।

বালককে উদ্ধার করতে গেলে প্রথমে বাধার মুখে পড়তে হয় পরিজনদের। এমনকী শিশুটির জন্মদায়িনী মাকেও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। গোটা ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক এবং ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, গত বুধবার ঘটনাটি ঘটলেও বিষয়টি শনিবার সকালে সমাজ মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসে। শনিবার রাত পর্যন্ত অভিযুক্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। দৃশান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব পরিবার। তবে রায়গঞ্জ পুলিশ সুপার সোনাওয়ানে কুলদীপ সুরেশ বলেন, "ভিডিও ফুটেজ পরীক্ষা করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।" ঘটনার পর থেকে ওই বালক ভয়ের মধ্যে রয়েছে। তার মাও ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে জখম হয়েছেন। ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক এবং ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃশান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব ওই পরিবার। রায়গঞ্জ পুলিশ সুপার সোনাওয়ানে কুলদীপ সুরেশ বলেন, " ভিডিও ফুটেজ পরীক্ষা করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement