বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য পশ্চিমবঙ্গের সপ্তম মুখ্যমন্ত্রী। সাড়ে ১০ বছর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রিত্ব সামলেছেন তিনি। ৫ নভেম্বর, ২০০০ জ্যোতি বসু মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে অবসর গ্রহণ করলে, তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্বভার তুলে নেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। তাঁর রাজনৈতিক কর্মজীবনের ব্যাপ্তি ৫ দশকেরও বেশি। এছাড়াও, তাঁর পরিচিতি সুলেখক ও কবি হিসেবে।
তাঁর জন্ম উত্তর কলকাতায়, ১৯৪৪ সালের ১ মার্চ। কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর সরকারি স্কুলের শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। কলেজ জীবনেই তাঁর রাজনীতিতে পদার্পণ। গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের রাজ্য সম্পাদক হয়েছিলেন তিনি (পরবর্তীকালে যা ‘ভারতের যুব ফেডারেশন’ নামে আত্মপ্রকাশ করে)।
১৯৭৭ সালে কাশীপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, যদিও কংগ্রেসের প্রফুল্লকান্তি ঘোষের কাছে পরাজিত হন ১৯৮২ সালে। মধ্যবর্তী সময়ে রাজ্য মন্ত্রীসভায় ‘তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগের’ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এই বিভাগ পরবর্তীকালে ‘তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ’ নামে পরিচিত হয়।
১৯৭৭ সালে কাশীপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, যদিও কংগ্রেসের প্রফুল্লকান্তি ঘোষের কাছে পরাজিত হন ১৯৮২ সালে। মধ্যবর্তী সময়ে রাজ্য মন্ত্রীসভায় ‘তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগের’ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এই বিভাগ পরবর্তীকালে ‘তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ’ নামে পরিচিত হয়।
১৯৮৭ সালে তার নির্বাচনী কেন্দ্র পরিবর্তন করেন তিনি। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন যাদবপুর নির্বাচনী কেন্দ্র থেকে, এবং টানা ৫ বার জয়ী হন। এ সময়ে তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ, স্থানীয় শাসন, পৌর ও নগরোন্নয়ন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।
দীর্ঘ ১০ বছরের মুখ্যমন্ত্রীত্ব শেষে ২০১১ সালের ১৩ মে, পঞ্চদশ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা সাধারণ নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। তাঁর অপসারনে ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট শাসনের অবসান হয়। ২০২২ সালে ‘পদ্মভূষণ’ দেওয়া হলে, তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।
