shono
Advertisement

ম্যাট্রিমনি সাইটে ‘বিলিতি ডাক্তার’-এর জালে তরুণী, খোয়ালেন ৬.৫ লক্ষ

তরুণী বর্ধমানের প্রখ্যাত চিকিৎসকের পরিবারের মেয়ে।
Posted: 09:13 AM Jun 16, 2018Updated: 09:43 AM Jun 16, 2018

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: ডিভোর্সি ম্যাট্রিমনি সাইটের মাধ্যমে মেয়ের জন্য পাত্র ঠিক করেছিলেন বর্ধমান শহরের এক মহিলা। যে সে পাত্র নন, ব্রিটিশ চিকিৎসক। তার পর মেয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে ওই চিকিৎসকের। এরপরই ওই অর্থোপেডিক সার্জনের আসল রূপ বেরিয়ে আসে। কয়েক দফায় বর্ধমানের ওই পরিবারের কাছ থেকে ৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ওই চিকিৎসক। প্রতারিত হয়ে বর্ধমান থানার পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন বর্ধমান শহরের রাধানগর পাড়ার ওই মহিলা। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

Advertisement

[থিমের রমরমা ইদেও, বারুইপুরে তৈরি জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ]

শহরের রাধানগর পাড়ার এক প্রখ্যাত চিকিৎসকের পরিবার এই প্রতারণার শিকার হয়েছেন। চিকিৎসকের ডিভোর্সি মেয়ের জন্য পাত্র খুঁজছিলেন তাঁরা। ওই চিকিৎসকের স্ত্রী ডিভোর্সি ম্যাট্রিমনি সাইটের মাধ্যমে বিলিতি চিকিৎসক সুরজ কল্যাণের সন্ধান পান। ব্রিটেনের নাগরিক হলেও ওই চিকিৎসকের আদি বাড়ি রাজস্থানের শিকারে। ম্যাট্রিমনি সাইটের তথ্য অনুয়ায়ী বর্ধমানের পরিবারটি এমনটাই জানতে পারেন। বর্ধমানের চিকিৎসকের ডিভোর্সি মেয়েরও সুরজকে পছন্দ হয়। বিদেশের ওই চিকিৎসকও বিয়েতে সম্মত হন। সুরজের সঙ্গে বর্ধমানের চিকিৎসক কন্যা ও তাঁর মায়ের নিয়মিত যোগাযোগ শুরু হয়। হোয়াটসঅ্যাপ-মোবাইলে নিয়মিত যোগাযোগ শুরু করে ওই বিদেশি ডাক্তার। শীঘ্রই ভারতে এসে বিয়ে করবে বলে জানায়। সুরজ ওই মহিলাকে জানান, বর্তমানে তিনি রাষ্ট্রসংঘে কর্মরত। আফগানিস্তানের কাবুলে রয়েছেন। কাবুলের কর্তৃপক্ষর কাছ থেকে সব পাওনা-গণ্ডা বুঝে নিয়ে তিনি ভারতে চলে আসবেন বলে জানান।

[ভুল ইঞ্জেকশনের ফলে কিশোরের মৃত্যুর অভিযোগ, উত্তেজনা বর্ধমান মেডিক্যালে]

গত ১ জুন সুরজ মেসেজ পাঠান ওই মহিলাকে। তাতে তিনি জানান, মহিলার মেয়ের নামে চেক, নগদ টাকা ও কিছু নথি পাঠাচ্ছেন এক বিদেশির মাধ্যমে। সেই সংক্রান্ত ক্যুরিয়ার স্লিপ ও গোপন কোড নম্বরও সুরজ হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দেন। সরল মনে তা বিশ্বাসও করে নেন বর্ধমানের ওই মহিলা। এরপরই সুরজ নানা অছিলায় টাকা হাতাতে থাকে বর্ধমানের ওই পরিবারটির কাছ থেকে। কখনও জানান, পার্সেলটি কাস্টমস আটকেছে তার জন্য সাড়ে় ৪৭ হাজার টাকা দিতে হবে। আবার কখনও বলে ইউনাইটেড নেশনস-এ টাকা দিতে হবে। এইভাবে ৬ লক্ষ টাকারও বেশি দেওয়ার পর সন্দেহ হয় বর্ধমানের পরিবারটির। বুঝতে পারেন প্রতারিত হয়েছেন। এরপরই তাঁরা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই তদন্ত কতটা ফলপ্রসূ হবে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েই গিয়েছে। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, খুবই জটিল ঘটনা। খতিয়ে দেখে আইনমাফিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

[ছ’বছরের শিশুকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ, গ্রেপ্তার বৃদ্ধ]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement
toolbarHome ই পেপার toolbarup মহানগর toolbarvideo শোনো toolbarshorts রোববার